গোপন পেন ক্যামেরা দিয়ে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের ভিডিও ধারনের অভিযোগ স্কুলের নিরাপত্ত্বা প্রহরির বিরুদ্ধে

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জয়পুরহাট শহরের কাশিয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের নিরাপত্ত্বা প্রহরি জাকির হোসেন গোপন পেন ক্যামেরা দিয়ে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের ভিডিও ধারনের সময় টের পেলে পালানোর সময় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা তাকে ধরে ফেলে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়টির ছাত্রী ও নারী শিক্ষিকাদের অভিযোগে জানা যায়, প্রধান শিক্ষকের যোগসাজসে বেশকিছু দিন থেকে মোবাইলে ও গোপন পেন ক্যামেরা দিয়ে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের ভিডিও ধারন করে আসছিল ওই নিরাপত্ত্বা প্রহরি। গত দুইদিন আগেও তাকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। সে প্রধান শিক্ষকের আত্মিয় হওয়ায় কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে আবারও ভিডিও ধারন করলে বিষয়টি এলাকায় ছরিয়ে পরলে ব্যপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকসহ তাকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে নিরাপত্ত্বা প্রহরি জাকিরকে থানায় নিয়ে যায়।
জয়পুরহাট পৌরসভার ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হায়দার আলী পলাশ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এই স্কুলের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ শুনে আসছি। নিরাপত্ত্বা প্রহরি জাকির হোসেন ও প্রধান শিক্ষক মামা-ভাগিনা হওয়ায় তাদের যোগসাজসে গোপনে ভিডিও করার বিষয়টি ইতিপূর্বেও আমি শুনেছি। তাকে সতর্ক করলেও সে আজ আবারও গোপনে ভিডিও করার সময় হাতেনাতে ধরা পরলে স্কুল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় নারী শিক্ষিকারা তাকে ধরলে প্রধান শিক্ষক এসে তাদেকে ধাক্কাধাক্কী করে পালানোর সহযোগিতা করলে এলাকাবাসি প্রধান শিক্ষক ও নিরাপত্ত্বা প্রহরিকে অবরুদ্ধ করে। ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে বিভিন্ন ভাবে ধংশের পথে এনেছে এই প্রধান শিক্ষক।
অভিযুক্ত নিরাপত্ত্বা প্রহরি জাকির হোসেন বলেন, আমার কাছে গোপন পেন ক্যামেরা ডিভাইস ছিল কিন্তু আমি সেটি দিয়ে কোন ভিডিও করিনি।
জয়পুরহাট কাশিয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।
জয়পুরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আরমগীর জাহান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি পেন ক্যামেরাসহ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নিরাপত্ত্বা প্রহরি জাকির হোসেনকে থানায় আনা হয়েছে।




