গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন ৪ জানুয়ারি

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ উপ-নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের ভোট আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে সংসদীয় এই আসনের ভোটগ্রহণ হলেও চলতি সপ্তাহেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন ৪ জানুয়ারি
আগামী ৪ জানুয়ারি গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।
মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ কথা জানান তিনি।
ইসি সচিব জানান, আগামী ৪ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ আসনের ভোট হবে ইভিএম-এ। সিসিটিভির আওতায় থাকবে কেন্দ্রগুলো। প্রার্থীরা আজ থেকেই প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তদন্ত কমিটির সুপারিশে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আলোকে ভোটে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হয়েছে। ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামকে এ ভোটের রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা জানিয়েছিলেন, জানুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই গাইবান্ধার উপনির্বাচন হবে। আগের নির্বাচনের দোষী কেউ নতুন নির্বাচনের দায়িত্বে থাকবেন না। ভালো নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের সংস্কৃতির পরিবর্তন করতে হবে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী গত ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আসনটিতে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রথমে গোপন কক্ষে একাধিক ব্যক্তি প্রবেশ করায় ভরতখালি উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র, ফুলছড়ি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং সাঘাটা উপজেলার রামনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে দফায় দফায় ৫১টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে ইসি।
অনিয়মের ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি ৫১টি ভোটকেন্দ্রের ঘটনা তদন্ত করে গত ২৭ অক্টোবর ইসিকে প্রতিবেদন দেয়। পরে বাকি ৯৪টি ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম ছিল কিনা, তা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয় ইসি। ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় কমিটি ওই প্রতিবেদন জমা দেয়।
গত ৩০ নভেম্বর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল জানান, তদন্তে ১২৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পাঁচটি কেন্দ্রের পাঁচজন পুলিশ উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।



