আইন আদালতশিরোনাম

খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া একাটার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বৃহত্তর আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদনের ওপর এবং তার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও জয়নুল আবেদীন।
এদিন সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়। বেলা ১১টা ৫ মিনিটে শুনানি মুলতবি করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার পর ফের শুনানি শুরু হয়।
আজ সকাল থেকেই বিএনপি চেয়ারপারসনের জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের চারপাশে ও সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে নিরাপত্তা ব‌্যবস্থা জোরদার করা হয়।
গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন চান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলেও সেদিন (৫ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‌্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা করতে পারেনি। প্রতিবেদন দিতে না পারায় এজলাসে তুমুল হট্টগোল হয়।
ওইদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
আদালত জিয়ার জামিন শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে ১২ ডিসেম্বর এবং ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে খালেদার শারীরিক অবস্থার রিপোর্ট দাখিল করতে বলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নিয়ে আপিল আবেদন খারিজ করে দেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button