কোটা বিষয়ে প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে: পর্যালোচনা কমিটি

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কোটা সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেবে সচিবদের সমন্বয়ে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি।
রোববার (৮ জুলাই) কোটার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গঠন করা কমিটির প্রথম বৈঠকে কর্মকৌশল নির্ধারণ হয়েছে।সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষিদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে তার দপ্তরে বেলা ১১টায় প্রায় দেড় ঘণ্টা এই বৈঠক চলে। সাতদিনের মধ্যে কোটার বিষয়ে আবারও বৈঠকে বসবে এই কমিটি।
কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে কমিটিতে সাচিবিক দায়িত্ব পালনকারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণারয়ের যুগ্ম-সচিব (বিধি) আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, বেঁধে দেওয়া ১৫ দিন সময়ের মধ্যেই তারা প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এ লক্ষ্যে আগামী সাত দিনের মধ্যে কোটা সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন তারা।
তিনি বলেন, মিটিংয়ে মূলত কমিটির কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোটা সংক্রান্ত দেশে-বিদেশে যত তথ্য রয়েছে বা বিভিন্ন সময় গঠিত কমিশন বা কমিটির যেসব রিপোর্ট রয়েছে তা যত দ্রুত সম্ভব সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সাত দিনের মধ্যে সেসব প্রতিবেদন সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সেসব রিপোর্ট, প্রতিবেদন বা তথ্য পাওয়ার পর দ্বিতীয় বৈঠকে বসবে কমিটি। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন, পিএসসির প্রতিবেদন, বিভিন্ন সময় সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের কমিশন বা তাদের ব্যক্তিগত রিপোর্টও রয়েছে। যত দ্রুত পারি সেগুলো সংগ্রহ করব। আমরা এটা নিয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করতে চাচ্ছি। এটা আসলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চেষ্টা করছি সংগ্রহ করার। এগুলো সংগ্রহের ওপর পরবর্তী সভা নির্ভর করবে।
কত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়া হবে সেই প্রশ্নে আবুল কাশেম বলেন, চেষ্টা করছি যত দ্রুত পারি, কর্মপরিধি অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার মধ্যেই রয়েছি। যদি না পারি পরে বলত পারব।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে আলাচ্য বিষয়ে জানান কমিটির মুখপাত্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মহিউদ্দিন। বলেন, ‘আমরা প্রথম বৈঠকে আমরা কর্মপরিধি নির্ধারণ করেছি। দেশে বিদেশে কোটা বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন আছে কি না, সেগুলো সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’




