কোটালীপাড়ায় জেলহত্যা দিবসে অনুপস্থিত সভাপতিসহ নেতাকর্মীরা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ নির্বাচনী এলাকা গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৯ সহ-সভাপতি অনুপস্থিত থাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে দলীয় কার্যালয়ের জেলাহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
জেলহত্যা দিবসের এ আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র জয়ধর ও ৯ সহ-সভাপতি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা সভায় কে সভাপতিত্ব করবেন তা নিয়ে মত বিরোধের সৃষ্টি হয়। সর্বশেষে উপস্থিত সিনিয়র নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া দাড়িয়াকে আলোচনা সভার সভাপতি নির্ধারণ করা হয়।
গোলাম কিবরিয়া দাড়িয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির, পৌর মেয়র হাজী মো: কামাল হোসেন শেখ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মতিয়ার রহমান হাজরা, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন লিটু, সহ-দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন খান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাবুল হাজরা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন বক্তব্য রাখেন।
বক্তরা সভাপতি ও ৯ সহ-সভাপতি উপস্থিত না থাকার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাবুল হাজরা বলেন, জাতীয় ও দলীয় সভা সমাবেশে অধিকাংশ সময়ে সভাপতি ও ৯ সহ-সভাপতির অনেককেই পাওয়া যায় না। তাই এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জয়ধরের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থ্যতার কারণে আসতে পারিনি। তবে ৯ সহ-সভাপতির আলোচনা সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল। যদি এই ৯জনের কেউ আলোচনা সভায় উপস্থিত না থেকে থাকে তবে সেটা দু:খজনক। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ইত্তেফাক




