খেলা

কেন সেরাদের সেরা সাকিব?

বাংলাদেশের ক্রিকেট সব সময় কিছু অসাধারণ খেলোয়াড় পেয়েছে। এদের মধ্যে প্রকৃতি প্রদত্ত মেধায় ভরপুর ছিলেন মোঃ আশরাফুল বা আফতাব আহমেদের মত তারকারা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দুর্বল নৈতিকতার কারণে তারা নিজেদের মেধার প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিশ্ব মঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি নিজেদের।
তবে এদের মধ্যে থেকে একজন ঠিকই সঠিক পথটি খুঁজে নিয়েছেন। তিনি বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত যোগ্যতার কারণে তিনি এখন তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে অনুকরণীয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো সাকিব কিভাবে ক্রিকেটের তিন ফর্মেটেই বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার হয়ে উঠলেন। নিশ্চয়ই তার ‘বিশ্ব সেরা’ হওয়ার পিছনে কিছু কারণ আছে। কী সেই কারণগুলো-
ব্যাটিং প্রতিভা : একজন স্পিন অলরাউন্ডার সব সময় ভালো মারমুখি ব্যাটসম্যান হয়ে উঠতে পারে না। বিশেষ করে স্লো-বাঁহাতি। কিন্তু গতানুগতিক প্রথা ভেঙ্গে তিনি হয়ে ওঠেছেন বিশ্বের শীর্ষ মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। যে কোনো পরিস্থিতিতে ব্যাট করার সামর্থের কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন প্রতিপক্ষের জন্য হুমকির কারণ। তিনি যেমন দারুণ দক্ষতার সাথে বোলিং করতে পারেন তেমনি ব্যাট হাতে দলকে পৌঁছে দিতে পারেন বড় ইনিংসে। যে কারণে সাকিবের রয়েছে আলাদা ভক্ত । বাংলাদেশে ক্রিকেট ভক্তদের একটা ধারণাহলো-সাকিব যতক্ষণ ক্রিজে আছে, ততক্ষণ আশা আছে।
বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংয়ের প্রতি সাকিবের ভালোবাসা কিছুটা বেশি। সাকিব নিজেই বলেছেন, বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিং নিয়ে তিনি বেশি পরিশ্রম করেন।
এ পর্যন্ত ৫০ টেস্টে ৯৪ ইনিংস থেকে ৫ সেঞ্চুরি ও ২২ হাফ সেঞ্চুরিসহ ৩৫৬৮ রানের পাশাপাশি ১৬৭ ওয়ানডে ইনিংস থেকে ৪৯৮৩ রান সংগ্রহে রয়েছে সাকিবের। টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে তার বর্তমান ব্যাটিং গড় দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৩৭,৯৫ ও ৩৪.৮৪। যে কারণে দলে তিনি সেরা ব্যাটসম্যানের একজন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
বোলিং পারফর্মেন্স : সাকিব একজন বুদ্ধিমান বোলার। তার বোলিং দেখেই বুঝা যায়, বোলিংয়ে প্রকৃতি প্রদত্ত মেধা লুকিয়ে আছে। তিনি দলের মধ্যেও সেরা ব্যাটসম্যানদের একজন। নিজের জন্য এতকিছু করা সম্ভব হওয়ার কারণ হচ্ছে তার কঠোর পরিশ্রম। যার মাধ্যমে নিজের প্রতিভাকেও ছাড়িয়ে গেছেন। সাকিবের বোলিং হচ্ছে একটি প্রকৃতিগত প্রতিভা।
রবিন্দ্র জাদেজার পর নিঃসন্দেহে সাকিব হচ্ছেন বিশ্বের সেরা স্লো -বাঁহাতি বোলার। যখন প্রতিপক্ষের উইকেট ফেলে দেয়ার প্রয়োজন হয়, কিংবা তাদের রান তোলার গতি কমানোর প্রয়োজন পড়ে তখনই সাকিবের হাতে বল তুলে দেয়া হয়। যেখানে তিনি কখনো হতাশ করেননি।
টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটে সাকিব ক্রিকেট বিশ্বের সেরা বোলারদের একজন হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ধারাবাহিকতা : বাংলাদেশ দলের জন্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু দিয়েছেন সাকিব। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশে সব সময় প্রতিভাবান খেলোয়াড় বের হচ্ছে। তবে তাদের বেশিরভাগই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারেন না। তাদের মধ্যে কেউ হয়তোবা একবার/দুবার ভালো করে ভক্তদের বাহবা কুড়িয়েছেন।
কিন্তু সাকিব বাংলাদেশের একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি সব সময় ধারাবহিকতা রক্ষা করে চলেছেন। তার আগে এমন ধারাবাহিক খেলোয়াড় বাংলাদেশ কখনো দেখেনি। ২০০৬ সালে সবার নজরে আসার পর থেকে ৩০ বছর বয়সী এই তারকা একই ধারাবহিকতা প্রদর্শন করে আসছেন। যা এর আগে কেউ দেখাতে পারেনি। যে কারণে তিন ফর্মেটের ক্রিকেটেই দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শীর্ষ র‌্যাঙ্কটি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। মাঝপথে রবিন্দ্র জাদেজা টেস্টের একনম্বর অল রাউন্ডারের জায়াগাটি দখল করেছিল। কিন্তু সাকিব ফের দীর্ঘ ভার্সনের ক্রিকেটের এক নম্বর র‌্যাঙ্কটি পুনরুদ্ধার করেন। বর্তমানে টি২০, ওডিআই এবং টেস্ট এই তিন ফর্মেটেরই এক নম্বর অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
ম্যাচ জয়ের সামর্থ্য : আইসসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব যা করে দেখিয়েছেন বাংলাদেশ দলের আর কোনো ক্রিকেটার এরকম ম্যাচ জয়ের দক্ষতা দেখাতে পারেনি। ওই ম্যাচে আপাতদৃষ্টিতে কিউইদের বিপক্ষে বাংলাদেশ হারতে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গী হিসেবে নিয়ে সাকিব হারিয়ে দেন ব্ল্যাক ক্যাপসদের। যে কোন পরিস্থিতে ম্যাচ জয়ের সামর্থ্য আছে সাকিবের।
নিউজিল্যান্ডের ছুড়ে দেয়া ২৬৬ রানের টার্গেট টপকাতে গিয়ে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ১১.৪ ওভারে ৩৩ রান তুলতেই হারায় ৪ উইকেট। এরপর সাকিব এবং রিয়াদ বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছেন। সাকিবের ওই নায়কোচিত পারফর্মেন্সের কারণেই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌছাতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ম্যাচে সাকিব ১১৫ বল মোকাবেলায় ১১৪ রান করেন। এটি হচ্ছে তার করা অনেক কীর্তির একটি। ব্যাটে হোক কিংবা বোলিংয়ে, তিনি বাংলাদেশকে বহুবার সংকটাপন্ন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করেছেন।
অধ্যাবসায় : দলের মধ্যে জয়ের মানসিকতা যুক্ত করেছেন সাকিব। এটি একক মেধা দিয়ে হয়না। আশরাফুর বা আফতাবের মধ্যেও প্রকৃতি প্রদত্ত মেধা ছিল। কিন্তু অধ্যাবসায় ও আত্মবিশ্বাসে ঘটতির কারণে তারা সফলতা পায়নি, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য অপরিহার্য্য।
যদি শুধুমাত্র পূর্বসুরি মেধাবীদের মত প্রকৃতিপ্রদত্ত মেধার ওপর নির্ভরশীল থাকতেন, তাহলে হয়তো সাকিবও হারিয়ে যেতেন। কিন্তু কঠোর পরিশ্রম ও ইচ্ছাশক্তি তাকে আজ বিশ্ব সেরার আসনে বসিয়েছে। সাকিব থাকা মানে দলে দু’জন খেলোয়াড় থাকা। ১১জন খেলোয়াড় নিয়ে দল গঠিত হলেও একাদশে সাকিব থাকা মানে ১২জন খেলোয়াড় দলে থাকা।
তিনি বিশ্ব সেরার আসনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত এবং বাংলাদেশে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের আসন অলংকৃত করলেও সব সময় সচেতন থাকেন। তিনি কোন কিছুর ওপর নির্ভর করে থাকেন না। সব সময় কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে নিয়োজিত থেকে সেরার আসনটি ধরে রেখেছেন।
সাকিবের নায়কোচিত নৈপুন্য সর্বশেষ দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক ছিলেন সাকিব। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে করেছেন ৮৪ রান। কিন্তু বল হাতে পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে সাফল্য না পেলেও বল হাতে আবারো ৫ উইকেট শিকার করে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। তার চেয়েও বড় কথা এ ম্যাচ দিয়ে ক্রিকেট রেকর্ডর অনেক পাতায়ই নাম লিখিয়েছেন তিনি।
ওরা আমাদের আরো বেশি সম্মান দেবে
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট। নিজের ৫০তম ম্যাচও। এমন এক ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেয়া এবং ম্যাচে অসাধারণ পারফরম করার জন্য সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। ড্রেসিং রুমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসে অভিনন্দনও জানিয়েছেন। তিনি সাকিব আল হাসান। বিজয়ের হাসিটা লেগে ছিল সংবাদ সম্মেলনেও।
ম্যাচের সেরা পারফরমারের কাছে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি জবাব দিলেন এভাবে : ‘সবচেয়ে বড় ফিল এসেছে- দলের জেতার জন্য নিজের অবদান রাখতে পারা। যেটা আমি সব সময়ই করতে চাই। আর এই টেস্ট আমাদের জন্য অবশ্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যেমন জেতা গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু ওদের সঙ্গে আমরা কখনোই (হোম ভেনুতে) এর আগে খেলিনি, আমাদের ভেতরেও আলাদা একটি অনুপ্রেরণা ছিল। সব মিলিয়ে ভালো লাগছে।’
নিজের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গ তুলে ধরে সাকিব বলেন, ‘আমার কাজ যেহেতু দুই সাইডেই (ব্যাটিং ও বোলিং), ফলে দু’টি কাজই ঠিকমতো করার আপ্রাণ চেষ্টা থাকে সব সময়।’ ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও এ মাঠে এমন এক জয় এসেছে বাংলাদেশের। সাকিব কোনটাকে এগিয়ে রাখবেন? কিয়ার করে কিছু বললেন না।
তবু তুলনা এলো তার যুক্তিতে, ‘আসলে সব পরিস্থিতি এক নয়। একেকটার গুরুত্ব আলাদা। ইংল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের জেতার বিশ্বাস শুরু হয়েছে। আমরা যে কামব্যাক করতে পারি, সে বিশ্বাস এসেছে তখন থেকে। আগে এটা করতাম না, হাল ছেড়ে দিতাম। এটা একটা বড় অর্জন। আবার শ্রীলঙ্কায় জয় বড় অর্জন, শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ভারত ছাড়া কেউ খুব বেশি ভালো করেনি। বাইরে জিততে পারি, সেটাও আমাদের জন্য বড় ব্যাপার ছিল।’
কিন্তু বাংলাদেশ এই ম্যাচে জিতেছে। বিষয়টা কতটা সহজ ছিল? সাকিব বলেন, ‘কাজটা সহজ ছিল না। ছিল অনেক কঠিন। আমি বলব তামিম অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। ছোট ছোট অনেক অবদান ছিল, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে। এই উইকেটে রান করা অনেক কঠিন, তাই ব্যাটসম্যানদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। দুটো ইনিংসেই ওর সেঞ্চুরি হতে পারত, দুর্ভাগ্য ওর। মুশফিক ভাইয়ের অবদান, নাসিরের ফার্স্ট ইনিংস, সাব্বিরের সেকেন্ড ইনিংস, এটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার মনে হয় তাইজুল ও মিরাজের কথাও বলতে হবে। খুব ভালো সাপোর্ট ছিল টেস্ট জেতার জন্য। হয়তো আমি এক সাইড থেকে পাঁচ উইকেট পেয়েছি, অন্য দিক থেকে ওদের উইকেট নিতেই হয়েছে। সেই দিকটাও কাভার করতে পেরেছি, এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দিনের শেষে এটি টিম গেম, সবার অবদানই আছে। কারোটা হয়তো একটু বেশি, কারোটা হয়তো একটু কম।’
নিজের পারফরম্যান্স প্রসঙ্গে এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘যেভাবে অবদান রেখেছি, একজন সিনিয়র প্লেয়ার হিসেবে সেটা করতে পেরে খুশি। আমার মনে হয় এই টেস্ট শেষে ওরা (অস্ট্রেলিয়া) আমাদের আরো বেশি সম্মান দেবে। আমি সিরিজ সূচনায় বলেছিলাম জেতা সম্ভব। কিন্তু মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা আর মাঠে খেলার মধ্যে পার্থক্য আছে। ঘরের মাটিতে আমরা বিশ্বাস করি আমরা যে-কাউকে হারাতে পারি, সেটা করেও দেখিয়েছি। গত দুই বছরের পারফরম্যান্স থেকেই আমাদের মনে এই বিশ্বাস এসেছে। কেউ হয়তো আমাদের ওভাবে খেয়াল করেনি, কিন্তু আমরা চুপিসারেই নিজেদের কাজটা করেছি।’
দল প্রসঙ্গে সাকিব আরো বলেন, আগে চিন্তা করতাম পাঁচ দিন খেলতে হবে। তখন আমরা হয়তো সব সময় বোলিং-সহায়ক উইকেট পেতাম না, এখন যেমন পাচ্ছি। রফিক ভাই (মোহাম্মাদ রফিক) ছিলেন আমাদের বাঁহাতি স্পিনারের আইডল। আমি উনাকে সবচেয়ে বেশি রেট করি। রাজ ভাইও অনেক ভালো বোলার ছিলেন। আমাদের পরিস্থিতির কথা চিন্তা করতে হবে। ওটার ওপর নির্ভর করে দল তৈরি হতো, ব্যাটিং কেমন সেটা ব্যাপার ছিল। একটার সাথে আরেকটার তুলনা করাটা মনে হয় না ঠিক। মিরাজ বিশ্বমানের, তাইজুলও। আমাদের আরো অনেক জায়গা আছে, যেখানে উন্নতি করতে পারলে আরো ভালো কিছু করতে পারব।’
এ ম্যাচে তথা এ ইনিংসে মোটিভেশন প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘অবশ্যই। সবচেয়ে বড় মোটিভেশন আমার স্ত্রী। ও সব সময় উৎসাহ দেয়। এখন মেসেজ করল, আমি এখন ঘুমাতে পারি। আমি আগের রাতে তাকে বলেছি, মনে হয়েছে চান্স খুব একটা নেই। ও বলেছে, তুমি পারবা। আমি জানি, তুমি পাঁচ উইকেট পেলেই হয়ে যাবে। আমি রাতে ঘুমানোর সময় চিন্তা করলাম, আসলেই তো। আমি পাঁচ উইকেট পেলেই তো দলের সুযোগ থাকবে। ওপাশ থেকে আরেকজন দুই উইকেট নিলেই তো সাত-আট উইকেট পড়ে যাবে। এই বিশ্বাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’
ড্রেসিং রুমেই এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘উনি সব সময় সাপোর্ট দেন, ক্রিকেট অনেক পছন্দ করেন। সেটাই দেখাতে এসেছিলেন। উনি বললেন, কালকেও (আগের দিন) আসতে চেয়েছিলেন, ব্যস্ততার কারণে আসতে পারেননি। দলের জন্য এমন সাপোর্ট দরকার। আমাদের এটা উৎসাহ দেয়। আমরা সবাই জানি, পুরো দেশ আমাদের সাথে আছে।’
সুত্র: নয়া দিগন্ত

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button