কাশিয়াইশ ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই ছুরিকাঘাতে নিহত আহত ৩

সেলিম চৌধুরী,পটিয়া সংবাদদাতা : পটিয়ার রাজনীতি উক্ততপ্ত বিরাজ করছে। গত ৪ দিন আগে যুবলীগ পটিয়া উপজেলার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ডিএম জমির উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগ সাবেক সহ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফু, সাবেক ছাএলীগ নেতা ইকবাল ও আরিফকে পটিয়ার আনজুর হাটে ব্রাশফায়ার করে রক্তাক্ত জখম করে। এঘটনায় পটিয়া থানায় জঙ্গলখাইন ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সবুজ সহ ১৪জন আসামি করে একটি মামলা রুজু হয়েছে। ২২ এপ্রিল জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাবরকে র্যাব আটক করেছেন বলে সুএে জানাযায়। এ নিয়ে পটিয়ার রাজনীতিতে চরম অসন্তোষ উত্তেজনা বিরাজমান করছে। এদিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে আওয়ামীলীগ সমর্থিত বর্তমান কাশিয়াইশ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছোট ভাই মুহাম্মদ সোহেল (৩৬) ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা বাজারে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মুহাম্মদ সোহেল (৩৬) কাশিয়াইশ ইউনিয়নের মৃত হাজী এজাহার মিয়ার ছেলে এবং কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এলাকার ফসিল গ্যাস পাম্পের ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানাগেছে,
নিহত সোহেল দ কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ভাগিনা। নিহতের বড় ভাই আবুল কাশেম ৬ষ্ঠ বারের মতো ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তারা হলেন, মোঃ সাজ্জাদ (২০) পিতা নূর মোহাম্মদ ড্রাইভার, সাদ্দাম হোসেন (৩০) পিতা মৃত জহুর আহমদ, জয়নাল আবেদীন (৩৪) পিতা মৃত মনির আহমদ। তারা তিনজনই একই ইউনিয়নের অধিবাসী বলে জানা গেছে। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে সোহেলের লোকজন মোহাম্মমদ মনছুরের পুত্র মোহাম্মদ শরীফ (৩৫) নামের একজনকে মারধর করে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে আহত শরীফ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাসেমের ছোট ভাইসহ ৪-৫ জনকে ছুরিকাঘাত করে। পরে তাদের চমেক হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে সোহেল মারা যায়। এ বিষয়টি নিশ্চিত করে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার জানিয়েছেন, পুর্ব শক্রতার জের ধরে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছোট ভাই মুহাম্মদ সোহেলকে শরিফ নামক এক ঘাতক চুরি ও মারধর করলে আহত অবস্থায় চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার সোহেলকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিন জনকে ২৫নং সার্জারী ওয়ার্ডে ভর্তি দেন তাদের অবস্থা আশংকা মুক্ত। বর্তমানে এলাকায় পুলিশ টহল রয়েছে। ঘাতককে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে শান্ত পটিয়া অশান্ত হয়ে পড়ে রাজনীতি চলমান পরিস্থিতি হতাশাজনক বলে জানান সচেতন মহল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্রাসী যে হোক তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান পটিয়াবাসী।



