sliderস্থানিয়

কান্ঠাপাড়া বাজারে অবৈধ স্থাপনার কারণে মাছ বিক্রির সেড নির্মাণে বাধা, কর্তৃপক্ষের নেই কোন পদক্ষেপ

মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: হরিরামপুর উপজেলা বৃহত্তম কান্ঠাপাড়া বাজারে অবৈধ স্থাপনার কারণে মাছ বিক্রির সেড নির্মাণে বাধা,ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বারবার অবৈধ স্থাপনা (দোকানগুলো)অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাগিদ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন শুরাহা হয়নি এমন মন্তব্য করেন বাজার কর্তৃপক্ষ ।

ইতিমধ্যে বাজারের স্বার্থে বাজার কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় মাছ বিক্রি সেড নির্মাণ করার জন্য সরকারী বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে অস্থায়ীভাবে বাজারের সীমানার বাহিরে মাছ বিক্রির সেড সাময়িক ভাবে পরিচালালিত হচ্ছে এমনটি মন্তব্য করেন-কান্ঠাপাড়া বাজার ক্ষুদ্র মাছ বিক্রেতারা।

সরে জমিনে দেখা গেছে, বাজারের ভিতর আওলাদ এর (চা) দোকান, মালেক মেম্বার-ঘর, বাজারের মাঝখানে অবস্থিত ঘড়ির মেকার-রাশেদুল ইসলাম (পুকা) এবং বাকি দুইটা দোকানের মধ্যে রিপন এর চা দোকান সহ মসজিদ সংলগ্ন আরেকটি বীজের দোকান।

কান্ঠাপাড়া বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান,সরকারি ভাবে অবৈধ স্থাপনা ব্যাপারে ওপর মহল থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মাছ বিক্রির সেড নির্মাণ হলে আমাদের নানাবিধ সুবিধা হয়।

তবে যাদের দোকান উচ্ছেদ করা হবে সরকার যেন তাদের প্রতি সহনশীল হয় এবং তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়াতে সর্বোচ্চ সহায়তা করার আহ্বান জানাচ্ছি।

চা এর দোকানদার মোঃ রিপন জানান, সরকার যদি চায় আমি যে কোন সময় দোকান সরিয়ে দিবো, এতোদিন যাবৎ আমি দোকান করে আসছি আমি নিতান্ত অসহায়,আমার দাবি হলো সরকার যদি তার কাজে ব্যবহার করে আমার ব্যক্তিগতভাবে কোন অভিযোগ নেই! কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য জোরদার আহবান জানায়।

কান্ঠাপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন জানান,বাজার কমিটি কর্তৃপক্ষ সরকারি বিধিমালার বাহিরে গিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ব্যাপারে ইতিমধ্যে বাজারের স্বার্থে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়ে। পরবর্তী বলড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি বাজার পরিদর্শন করে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করেছে।

কান্ঠাপাড়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরাজ হোসেন (মেম্বার) আরো জানান, একাধিক বার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হলেও আদৌও এখন পর্যন্ত কোন শুরাহা হয়নি।

কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক যাতে, বাজারের সুবিধার্থে মাছ বিক্রির সেড নির্মাণ করা সম্ভব হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার ফাহিজা বিসরাত হোসেন মুঠোফোনে জানান, এ বিষয়টি অবগত আছি। শ্রীঘই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button