করোনা : স্পেনের যৌনকর্মীরা চরম অর্থ সংকটে

ফাঁকা মাদ্রিদের রাস্তাগুলো। করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে মানুষের আনাগোনা নেই। তাতে কঠিন অর্থকষ্টে পড়েছেন ইভেলিন, আলেনকা ও বেওনসের মতো স্পেনের অসংখ্য যৌনকর্মী।
স্পেনে এমনিতেই যৌন কর্মীদের অধিকার আইন দ্বারা তেমন সুরক্ষিত নেই। এর ওপর কঠিন এই সংকটে ছাড়িয়ে গেছে তাদের দুর্দশার মাত্রা। বন্ধ ক্লাবগুলো, ঘর থেকে বের হচ্ছেন না খদ্দররা। রাস্তায় বের হলেই গুনতে হয় জরিমানা।
পরিস্থিতির তিক্ততা নিয়ে নিজের প্রকৃত নাম তুলে ধরেই ইভেলিন রোসেল এএফপিকে বলেন, “স্পেনের ক্লাব মালিকেরা সব মেয়েদের রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”
৩৫ বছর বছর বয়সী এই কলম্বিয়ান থাকেন মাদ্রিদের একটি হোস্টেস ক্লাবের মধ্যে। যৌন কর্মী হিসেবে ‘কাজ করার অধিকার’ পেতে তাকে প্রতি মাসে গুনতে হয় ২,১০০ ইউরো।
“ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই ২,১০০ ইউরো রুমের জন্য দিতে হয়। তারা এটাকে ভাড়া হিসেবে নেয়। কিন্তু এটা মিথ্যা। আমি অর্থটা কাজের অধিকার পাওয়ার জন্য দিচ্ছি।“- বলেন রোশেল।
তিনি জানান, এই ক্লাবে ১৫ জন নারী ছিল। এদের অধিকাংশই ল্যাটিন আমেরিকার তাদের মধ্যে প্রায় সবাই এই সংকটে ক্লাব ত্যাগ করেছেন। রোশেল আরও জানান, তাকে এখনো হোটেলে থাকতে দেওয়া হয়েছে।
“কিন্তু এটা মানবিক দিক। কিন্তু একজন কর্মী হিসেবে যেকোনো জায়গায় থাকার অধিকারটুকু দেওয়া হয়নি।”
ইউরোপে করোনা সমস্যায় জর্জরিত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম স্পেন। আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে আছে দেশটি, ২ লাখ ২২ হাজার। মৃত্যুতে চতুর্থ, ২৬ হাজার ছাড়িয়েছে।




