করোনা চিকিৎসায় রিমডিসিভির অনুমোদন দিল সিঙ্গাপুর
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত যেসব রোগী সংকটাপন্ন তাদের ক্ষেত্রে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভির প্রয়োগে অনুমোদন দিয়েছে সিঙ্গাপুর। বুধবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে অনুমোদন দেয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে।
এর মধ্যে দিয়ে কভিড-১৯ চিকিৎসায় রেমডিসিভির অনুমোদন দেওয়া আরও একটি দেশ হিসেবে যুক্ত হলো সিঙ্গাপুর। এর আগে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধটি করোনা রোগীর ক্ষেত্রেও ব্যবহারের অনুমোদন দেয় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বেশি কিছু দেশ।
ওষুধটি করোনা রোগীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যায় কি-না এ নিয়ে ইউরোপের অনেক দেশও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে।
রিমডিসিভির প্রয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রে শর্ত বেধে দিয়েছে সিঙ্গাপুর। শর্তানুযায়ী করোনায় আক্রান্ত যেসব বয়স্ক রোগী শ্বাস প্রশ্বাসে খুব সমস্যায় পড়েন তাদের ক্ষেত্রে তা প্রয়োগ করা যাবে।
দেশটির হেলথ সায়েন্স অথোরিটি বলেছে, কভিড-১৯ মহামারি সময়ে জনস্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় রেমডিসিভির ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে রেমডিসিভিরের পর্যালোচনাও করা যাবে।
অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ওই রেমডিসিভিরের উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গিলড সায়েন্সেসের ওষুধটি সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্তের সহায়তা নিয়েছে সিঙ্গাপুর।
করোনাভাইরাসে নিরাময়ে কার্যকরী কোনো ওষুধ এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে উপসর্গ নিরাময়ে প্রচলিত কিছু ওষুধ ব্যবহার হচ্ছে বিভিন্ন দেশ। এগুলোর মধ্যে রেমডেসিভির ছাড়াও রয়েছে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ও ফ্যাভিপিরাভির। ওষুধগুলোর উৎপাদন চেষ্টা চলছে বাংলাদেশেও।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরুতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় অনেকটাই সফল ছিল সিঙ্গাপুর। কিন্তু পরবর্তীতে সে ভালো অবস্থা ধরে রাখতে পারেনি দেশটি। নগর রাষ্ট্রটিতে করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন নিম্ন আয়ের বিদেশি শ্রমিকেরা। ছোট ছোট ডরমিটরিতে গাদাগাদি করে বসবাসের ফলে এসব জায়গায় তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয় না।
ছোট্ট দেশটিতে এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই করছে। এর মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের।




