উপমহাদেশশিরোনাম

করোনায় ভয়ঙ্কর হতে পারে মুম্বাইয়ের পরিস্থিতি

একেকটা ঘরের সাইজ ৮ ফুট বাই ১০ ফুট। পরপর এরকম প্রায় ২৫০০ ঘর। ২শ’ পরিবারের জন্য একটাই শৌচাগার। হ্যাঁ, ভারতের মুম্বাইয়ের ধারাভি বস্তি হোক, চউলগুলোর এমনই বাস্তবতা। আর সেখানেই পৌঁছে গিয়েছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই ৪ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যারা মুম্বইয়ের বস্তির বাসিন্দা। আর এখানেই দেখা দিয়েছে ভয়ানক আশঙ্কা। তাহলে কি মুম্বাইয়ের বস্তি, চউলেও ছড়িয়ে পড়ল করোনা?
ইতোমধ্যেই মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ঝড়ের গতিতে। এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ১২৮ জন। লকডাউনের পাশাপাশি কারফিউও জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার।
আর এই পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য জরুরি জিনিসের দোকান, স্টোরগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।
করোনা রুখতে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংই হল আসল অস্ত্র। বারবার একথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু মুম্বাইয়ের বস্তিগুলিতে আদৌ কি এই সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং রেখে জীবন কাটানো সম্ভব?
পায়রার খোপের মতো এক-একটা ঘরের মধ্যে থাকেন ৬-৭ জন মানুষ। বহু মানুষের জন্য একটাই শৌচাগার, এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং অসম্ভব। তাই করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এক্ষেত্রে।
কারণ ইতোমধ্যেই মুম্বাইয়ের কালিমবার জামবালিপাড়া বস্তিতে ৩৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তির করোনা ধরা পড়েছে। সেখানে প্রায় ৮০০ ঘর আর নামমাত্র কয়েকটা শৌচাগার রয়েছে। বিদেশ থেকে এসছেন ওই ব্যক্তি। বিমানবন্দরে তার কোনও লক্ষণ না থাকলেও পরে তার করোনা ধরা পড়ে। বর্তমানে কস্তুরবা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button