
হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপারের শরীরে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছে সদ্যই। তারপরই আরও সতর্ক হাওড়া সিটি পুলিশ। লকডাউন অমান্য করে বাড়ি থেকে দুই কিংবা চার চাকার গাড়ি নিয়ে বেরোলেই হবে জরিমানা। পুলিশ ধরলেই গুনতে হবে ৫০০ টাকা।
কয়েক সপ্তাহ আগে উত্তরবঙ্গ থেকে ফেরা এক মহিলার শরীরে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ মেলে। তারপর বুধবার হাওড়ার ষষ্ঠীতলায় এক ব্যক্তির পরিচারকেরও লালারস পরীক্ষা করা হয়। জানা যায়, তিনিও Covid 19-এ আক্রান্ত। যদিও ওই ব্যক্তির বিদেশযাত্রার কোনও যোগ নেই। তাঁর সংস্পর্শে আসা কেউ বিদেশযাত্রা করেননি। তবে বাজার, দোকানে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র বাড়ি থেকে বেরোতেন ষষ্ঠীতলার করোনা আক্রান্ত ওই পরিচারক। তাই ওই ব্যক্তির শরীরে করোনা সংক্রমণের কারণ নিয়ে চিন্তিত গোটা স্বাস্থ্য দপ্তর।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সামনে আসে হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর। বর্তমানে তিনি ভরতি রয়েছেন এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে। ওই শীর্ষকর্তার পরিবারের সদস্যদের ইতিমধ্যেই কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া তাঁর সংস্পর্শে আসায় হোম কোয়ারেন্টাইনে গিয়েছেন জেলা প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের বেশ কয়েকজন। সূত্রের আরও খবর, এই সংখ্যাটা কমবেশি ২০০।
হাওড়াকে করোনার হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করেছিল সরকার। ইতিমধ্যেই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। হয়েছে এক মহিলার প্রাণহানিও। এদিকে, হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপারের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা আশঙ্কাকে যে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বুধবারই মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। যদিও কেউ কেউ অভিযোগ করেন স্প্রে করার ক্ষেত্রে ক্লোরিনের অভাব দেখা দিয়েছে। সেই অভিযোগ খণ্ডনও করে দেন মন্ত্রী। হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর আরও কড়া সিটি পুলিশ। লকডাউনের মাঝে রাস্তায় দুই কিংবা চার চাকার গাড়ি দেখতে পেলেই ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হবে বলেই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে। সংবাদ প্রতিদিন




