কভিড-১৯ সংক্রমণ রুখতে বিশ্বব্যাপী চলা লকডাউনে বন্ধ আছে প্রায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রেক্ষিতে উদ্বেগের কথা শোনাল ইউনেসকো।
সংস্থার এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, লকডাউনের জেরে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৫৪ কোটি শিক্ষার্থী প্রভাবিত হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ছাত্রীরা। তাদের স্কুল ছাড়ার সংখ্যা বাড়বে।
ইউনেস্কোর শিক্ষা শাখার প্রধান স্টেফানিয়া গিয়োনিনো ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই-কে বলেন, “মৌসুমের মাঝেই সংক্রমণের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল। এই ঘটনায় প্রভাবিত হবে কিশোরী শিক্ষার্থীরা। বাড়বে স্কুল ছাড়ার সংখ্যা। সামাজিক ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য বড় আকার ধারণ করবে। যৌন নিপীড়ন, বয়সের আগে বিয়ে কিংবা মাতৃত্বের মতো সমস্যার সম্মুখীন হবে তারা।”
প্যারিস থেকে ফোনে এই সাক্ষাৎকার দেন স্টেফানিয়া। তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে মোট শিক্ষার্থীর ৮৯ শতাংশ লকডাউনের কারণে স্কুল যেতে পারছে না। স্কুল আর বিশ্ববিদায়লয়ের মিলিয়ে প্রায় ১৫৪ কোটি শিক্ষার্থী ঘরে বসে আছে। যাদের মধ্যে ৭৪ কোটি ছাত্রী। এই ছাত্রীদের মধ্যে প্রায় ১১ কোটি উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক। যেখানে শিক্ষার মৌলিক অধিকার একটা লড়াইয়ের মতো।”
সঙ্গে যোগ করেন, যারা শরণার্থী শিবিরে রয়েছে, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া তাদের কাছে আরও কঠিন।
তার পরামর্শ, “অধিকাংশ দেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করেছে স্কুল-কলেজ। কিন্তু তাদের একটু ভাবা দরকার সঙ্কট কাটলে ছাত্রীদের ওপর যে প্রভাব আসবে, তা সামলানোর কৌশল কী? এই নিয়ে একটু বসা দরকার কৌশল নির্ধারকদের।”
এনডিটিভি




