করোনার নতুন উপকেন্দ্র হতে পারে আমেরিকা: ডব্লিউএইচও

ইতালি, স্পেনের পর করোনাভাইরাসের নতুন উপকেন্দ্র ‘হয়ে উঠতে পারে’ আমেরিকা। সারা বিশ্বে আক্রান্ত ও মৃতের পরিসংখ্যান বিচার করে এমন শঙ্কার কথা জানাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
গত ২৪ ঘণ্টায় ইউরোপ-আমেরিকায় নতুন আক্রান্তের মধ্যে ৪০ শতাংশই আমেরিকার। এই পরিসংখ্যান এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আশঙ্কাই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।
জেনেভায় সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেন, ‘আমেরিকায় সংক্রমণ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৫ শতাংশ নতুন আক্রান্তই ইউরোপ ও আমেরিকায়। তার মধ্যে আবার শুধু আমেরিকাতেই ৪০ শতাংশ।’
মার্গারেট বলেন, ‘এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমেরিকায় ব্যাপক হারে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই উপকেন্দ্র হয়ে ওঠার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।’
আমেরিকায় এ মুহূর্তে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে ৭৮২ জনের। চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭৮ জন। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া, ওয়াশিংটনের মতো প্রদেশে।
আমেরিকায় প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে ২০ জানুয়ারি। তার পর থেকে অল্প সংখ্যায় বাড়ছিল। গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ১০০। কিন্তু সেখান থেকে গত সপ্তাহে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। আচমকা এক সপ্তাহের মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১০০ থেকে প্রায় ৮০০ হয়ে যাওয়ায় কারণেই হু-এর এই আশঙ্কা।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, খাবার-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের জোগান স্বাভাবিক রাখার সব রকম চেষ্টা চলছে।
এত দিন পর্যন্ত ইউরোপকেই মূলত করোনা সংক্রমণের কেন্দ্র বলে মনে করছিল হু। তার মধ্যে শীর্ষে ছিল ইতালি।




