কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদনেই রাখাইন সংকটের সমাধান
মানবাধিকার কাউন্সিলে ভারত
রাখাইন রাজ্যের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কফি আনান কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী নাগরিকত্ব ও অধিবাসীর ইস্যু সমাধানের মাধ্যমে রাখাইন রাজ্যের সংকট সমাধান সম্ভব বলে মনে করে ভারত।
জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৩৬তম অধিবেশনে দেয়া বিবৃতিতে ভারত সরকার এই অভিমত ব্যক্ত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিতে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। প্রাথমিকভাবে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলায় নিরাপত্তা বাহিনী সদস্যসহ বেসামরিক নাগরিকদের জীবনহানীর মাধ্যমে সহিংসতা শুরু হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাখাইন থেকে পালিয়ে গেছে, যাদের অনেকেই প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনীকে সংযত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, বেসামরিক নাগরিকদের কল্যাণের দিকে নজর রাখা, রাখাইন রাজ্য থেকে মানুষের পালিয়ে যাওয়া বন্ধে পদক্ষেপ নেয়া এবং প্রতিবেশী দেশে আশ্রয় নেয়াদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।
এতে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে যাওয়া বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রতি মানবিক সহায়তার হাত প্রসারিত করে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় কাজ করেছে। এ জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি ও সমর্থন আশা করতে পারে। বাংলাদেশের প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে ভারত দ্রুততার সাথে ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে। আকাশ ও সমুদ্রপথে পাঠানো এসব ত্রাণ সামগ্রী আশ্রয়কেন্দ্রের ৭২ হাজার পরিবারের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে।
রাখাইন সংকট নিরসনে আনান কমিশনের প্রতিবেদনে দেয়া সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি, ন্যায় বিচার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মূল্যাবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা নেয়া উচিত। নয়া দিগন্ত




