slider

কটিয়াদীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি :কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌর এলাকার হালুয়াপাড়া মহল্লা থেকে স্মৃতি আক্তার (২২) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ক্ষত বিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নিহতের বাবার বাড়ি থেকে ৩শ গজ দূরে পাটক্ষেতের পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্মৃতি আক্তার কটিয়াদী পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ড হালুয়াপাড়া মহল্লার মানিক মিয়ার মেয়ে এবং কাতার প্রবাসী পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বেলদী গ্রামের বিল্লাল ভূইয়ার ছেলে আমিন ভূইয়ার স্ত্রী। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসেনপুর সার্কেল সুজন চন্দ্র সরকার, ডিবি কিশোরগঞ্জ, র‌্যাব কিশোরগঞ্জ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘাতক দল স্মৃতি আক্তারকে ঘর থেকে ডেকে বাড়ির পিছনে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাকে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পাটক্ষেতের ভিতর দিয়ে অন্তত ৩শ গজ দূরে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে ফেলে রেখে চলে যায় বলে এলাকাবাসীর ধারণা। রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এতে জমিতে পানি জমে যায়। সকালে নিহতের চাচা সোহরাব উদ্দিন তার জমিতে গেলে সেখানে শিয়ালে লাশ খাচ্ছে দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। গায়ের কাপড় দেখে তার ভাইয়ের মেয়ে স্মৃতি আক্তারের মত দেখা যায়। সে হতবিহ্বল হয়ে দৌড়ে বাড়ি গিয়ে স্মৃতি আক্তার কোথায়
খোঁজ করতে থাকে। সেখানে তার কক্ষের দরজা খোলা এবং তাকে ঘরে না পেয়ে বাড়ির লোকজন আবার ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়ের লাশ শনাক্ত করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের বাবা মানিক মিয়া বলেন, বিয়ের আগে থেকেই মেহেদী আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো। বিয়ের পরেও বাগরাইট গ্রামের মেহেদী নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনার সাথে মেহেদী, মজিবুরসহ তার সঙ্গীরা জড়িত থাকতে পারে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবী করছি।

কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ বলেন, হত্যার কারণ অনুসন্ধান চলছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button