sliderস্থানিয়

কটিয়াদীতে মৃদু শৈত্য প্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

রতন ঘোষ, কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মৃদু শৈত্য প্রবাহ এবং পৌষের হিমেল হাওয়ায় জেঁকে বসেছে শীত। যার ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। আজ চারদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই, সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন প্রকৃতি। সেই সময় দরিদ্র মানুষেরা গাছের পরিত্যক্ত ডালা পালা ও খড়কুটো এনে তাতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করে। দুপুরের পর থেকেই শীতের তাপমাত্রা আস্তে আস্তে তীব্র হতে থাকে। সন্ধ্যার পর মানুষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না। তাছাড়া সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বেরেছে ঠান্ডায় নানা রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। সেই সাথে শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে নিউমোনিয়া, টাইফয়েড সহ নানান ধরনের রোগে। চিকিৎসকরা রোগীদের গরম কাপড় ও গরম খাবার এবং বেশি বেশি পানি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শীতের প্রকোপে মানুষের কষ্টের চিত্র। গ্রামের হতদরিদ্র মানুষেরা রয়েছে চরম কষ্টে তারা গরম কাপড়-চোপড়ের অভাবে খুবই কষ্টে দিনাতিপাত করছে। সন্ধ্যার পর কোথাও কোথাও আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেওয়ার চেষ্টা করছে মানুষ।

কটিয়াদী বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে শীত বস্ত্র কেনার জন্য মানুষের ভিড় দেখা যায়। দরিদ্র মানুষেরা ফুটপাত কিংবা ছোট ছোট দোকান গুলিতে কম টাকায় পুরাতন বস্ত্র কেনাকাটার জন্য ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

মুসুয়া ইউনিয়নের বৈরাগীর চর গ্রামের আব্দুল মান্নান বলেন তীব্র শীতে তিন দিন ধরে সর্দি কাশিতে ভুগছি। আকাশে সূর্যের দেখা নেই। গ্রামের হতদরিদ্র মানুষেরা শীত বস্ত্রের অভাবে নিরবে কষ্ট সহ্য করছে শীতে। জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের, মাসুদ মিয়া বলেন চার দিন ধরে শীতের কারণে জমিতে যেতে পারছিনা। দরকার ছাড়া ঘর থেকেও বের হতে পারছি না। তাছাড়া মাঝেমধ্যে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা করছি। গতকালকে কিশোরগঞ্জে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সনাক্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আবাহাবিদরা বলছেন, এই শৈত্য প্রবাহ আরো ৪/৫দিন চলতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button