কটিয়াদীতে ফসলি জমির জলাবদ্ধতা নিরসনে জনবান্ধব ইউএনও

রতন ঘোষ, কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কয়েকদিনের টানা বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচন্ড জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, এসব এলাকায় কালভার্ট ও রিং পাইপের মুখ বন্ধ করে মাটি ভরাট করা, বাড়ি এবং স্থাপনা নির্মাণের ফলে এরকম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে শত শত বিঘা ফসলী জমির ফসল হানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ধরনের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষার জন্য স্থানীয় জনবান্ধব ইউএনওর শরণাপন্ন হলে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে উপস্থিত অসহায় কৃষকদের নিয়ে তৎক্ষণাৎ উপদ্রুত এলাকায় যান এবং তিনি উপস্থিত থেকে ভেঙ্গে পড়া রিং পাইপ ও কালভার্টের মাটি সরিয়ে জলাবদ্ধতার হাত থেকে ফসল রক্ষার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২ জুলাই রবিবার মসুয়া ইউনিয়নের বড়ইতলা, নয়াপাড়া প্রভৃতি গ্রামের একদল কৃষক জলাবদ্ধতার হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য স্থানীয় জনবান্ধব ইউএনওর শরণাপন্ন হলে তিনি তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে ছুটে জান এবং
ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় লোকজনদের উপস্থিতিতে নষ্ট হয়ে যাওয়া মাটি ভরাট কৃত রিং পাইপের মুখ থেকে মাটি সরিয়ে পানি নিষ্কাশন এর ব্যবস্থা করেন। এ ধরনের জলাবদ্ধতা উপজেলার বনগ্রাম, জালালপুর, মুমুরদিয়া, আচমিতা, চান্দপুর সহ সদর পৌর এলাকায়ও দেখা দিয়েছে। এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরিবেশ ও জনবান্ধব ইউএনও সকাল সন্ধ্যা ছুটে যাচ্ছেন কৃষকদের পাশে।
পৌর এলাকার ভুগপাড়া গ্রামের অনেক বাড়িও কয়েকদিনের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। তাছাড়া উপজেলা পরিষদ থেকে হাসপাতাল থানা সড়কের মাঝখানে হাঁটু পানি জমে রয়েছে। ধসে গেছে সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনের সড়ক। কিন্তু এগুলি দেখার কেউ নেই। ফলে জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার খানজাদা শাহরিয়ার বিন মান্নান বলেন, টানা বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতা থেকে ফসলি জমির ফসল রক্ষার জন্য দুই দিনে, মসূয়া আচ মিতা ও বনগ্রাম ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্থানে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এতে সাময়িক পানির নিষ্কাশনের ব্যবস্থা চালু হলেও পরিকল্পিত পদক্ষেপ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে তিনি জনগণকে আরো সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।




