slider

কটিয়াদীতে একে অপরকে হত্যার হুমকি

ইউপি চেয়ারম্যান উপনির্বাচন

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি :কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উপনির্বাচনে পরস্পরের বিরুদ্ধে গুলি করে হত্যার অভিযোগ এনেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ইকবাল ও মোহাম্মদ মুছা মারুয়ার। এ উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা ও হুমকির পরিস্থিতিতে এ দু পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, লোহাজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হায়দার মারুয়ারের মৃত্যুর পর ৯ মার্চ (শনিবার) ওই ইউনিয়নে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ইকবাল ও মুছা মারুয়াসহ পাঁচপ্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কিন্তু নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই উত্তেজনা বাড়ছে দুই চেয়ারম্যানপ্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে। এ পরিস্থিতিতে রোববার সংবাদ সম্মেলন করে মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ইকবাল অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ প্রার্থী মোহাম্মদ মুছা মারুয়া তাকে নির্বাচন থেকে সরে না গেলে গুলি করে মারার হুমকি দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় প্রতিপক্ষ আনারস প্রতীকের প্রার্থী মুছা মারুয়া আমার ওপর হামলা চালায়। মুছা মারুয়ার কর্মী- সমর্থকদের হামলায় আমার ২০ সমর্থক আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, মুছা মারুয়ার তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে অস্বীকার করেছেন। উল্টো তিনি দাবি করেন, নির্বাচনে ভরাডুবির আলামত স্পষ্ট হয়ে ওঠায় নুরুজ্জামান ইকবালই ক্ষিপ্ত হয়ে তার লাইসেন্স করা পিস্তল উঁচিয়ে তাকে গুলি করার হুমকি দিয়েছেন।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে তাদের কাছে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ বলেন, এ বিষয়ে সোমবার বিকাল চারটা পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button