এবার ‘হয়রানি’র অভিযোগ তুললেন বাদল রায়

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েও স্বস্তিতে না থাকার কথা জানিয়েছেন বাদল রায়। প্রিয় মোহামেডান ক্লাবে খোলা আকাশের নিচে বসে সরে দাঁড়ানোর কথা বলার সময় শুক্রবার কাঁদতে দেখা গেছে সাবেক এই ফুটবলারকে।
বাদল রায় সরে দাঁড়ালেও সেটি মেনে নেয়নি নির্বাচন কমিশন। কারণ সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি জানাতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা দেরি করে ফেলেন তিনি। তাই ৩ অক্টোবরের নির্বাচনে তার নাম থাকবে।
এ বিষয়টি আরও পরিষ্কার করতে স্ত্রী মাধুরী রায়কে পাশে রেখে এদিন বাদল রায় বলেন, ‘আমি অনেক কষ্ট নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছি। প্রশ্ন আসছে কেন আবার এখানে বসলাম। কারণ আমার স্ত্রীর তাড়াহুড়ো করে এক ঘণ্টা লেগেছে সেখানে যেতে। সময় চলে যাওয়ার কারণে আইনগতভাবে একটা সমস্যা হয়েছে।’
এরপরই তিনি হয়রানির অভিযোগ তোলেন, ‘সালাউদ্দিন সাহেবের তো শক্তি অনেক। সমস্যাটা ইচ্ছা করলে তিনি সমাধান করতে পারতেন। আমাকে কেন হয়রানি করছেন, আমি জানি না।’
ঠিক কীভাবে তাকে হয়রানি হতে হচ্ছে সেটি উল্লেখ না করে এদিন আরও বলেন, ‘আজকে আপনাদের ডাকার উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনারা জানেন আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন। আমি মোহামেডান ক্লাবের সাহস নিয়ে নির্বাচনে সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছিলাম। এই ক্লাবেই অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এর মধ্যে অনেক পানি ঘোলা হয়েছে।’
চাপ বা অনুরোধের মুখে সরে যাচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি এটা ওভাবে বলতে পারব না। অনেকে হয়তো মনে করছেন আমার ওপর খুব চাপ আছে। আসলে চাপ না। আমি আবারও বলছি, শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছি। আমাকে ভোট দিলেও আমি কাজ করতে পারব কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সংবাদ সম্মেলন করব। আপনারা ডাকলেই আসব।’




