
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় দেশের ১৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে।
নির্বাচিত প্রত্যেককে এককালীন নগদ চার লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।
রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব বাবুল মিয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, একুশে পদক পাচ্ছেন ভাষা আন্দোলনে খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মো: মজিবর রহমান।
শিল্পকলায় (অভিনয়) মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ। শিল্পকলায় (সংগীত) মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর)।
শিল্পকলায় নওয়াজীশ আলী খান, শিল্পকলায় (আবৃত্তি) জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় ও শিল্পকলায় (চিত্রকলা) কনক চাঁপা চাকমা।
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো: শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো: আবদুল মজিদ, শিক্ষায় প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর) ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।
রাজনীতিতে অবদান রাখায় একুশে পদক পাচ্ছেন অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর) ও আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান।
অন্যদিকে, সমাজসেবায় একুশে পদক পাচ্ছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও মো: সাইদুল হক।
সূত্র : বাসস




