বিবিধশিরোনাম

একটা নয়, পৃথিবীর চারপাশে রয়েছে তিনটি চাঁদ

একটা নয়। তিন তিনটে চাঁদ রয়েছে পৃথিবীর। একটি চাঁদ আমাদের চোখে দৃশ্যমান। বাকি দু’টি চাঁদের অস্তিত্ব নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। গত ৫০ বছর ধরে তা চললেও অবসান হয়নি বিতর্কের। চাঁদের সংখ্যা ও তাদের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সম্প্রতি এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি। তা থেকে জানা গেছে, হাঙ্গেরির মহাকাশচারী ও পদার্থবিদরা অপর দুই চাঁদের অস্তিত্বের স্বপক্ষে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ পেশ করেছেন। এই দু’টি চাঁদই সম্পূর্ণ ধূলিকণা দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছেন হাঙ্গেরির মহাকাশচারী ও পদার্থবিদরা। মান্থলি নোটিসেস অফ দি রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটিতে এই রিপোর্ট প্রকাশিতও হয়েছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন আগেই এই ‘ডাস্ট মুন’ বা ‘কোর্দিলিউস্কি ক্লাউড’-এর অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছিলেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। ১৯৬১ সালে প্রথম এই ‘ডাস্ট মুন’ নজরে আসে পোল্যান্ডের মহাকাশচারী কাজিমিয়ের্জ কোর্দিলিউস্কির। তার নামেই এর নামকরণ করা হয়। সাম্প্রতিক তথ্য থেকে জানা গেছে, প্রত্যেকটি কোর্দিলিউস্কি ক্লাউড ১৫/১০ ডিগ্রি চওড়া। রাতের আকাশে তা ৩০/২০ লুনার ডিস্কের সমান।
পৃথিবীর মাপের প্রায় ৯ গুণ বিস্তৃতি নিয়ে মহাকাশের বুকে অবস্থান করছে এক একটি ডাস্ট মুন। আকারে বিরাট হলেও ডাস্ট মুনদু’টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ধূলিকণা দিয়ে তৈরি বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। যখন সূর্যের আলো এই দুই চাঁদের উপর পড়ে, তা খুব হালকাভাবে প্রতিফলিত হয়। পৃথিবীর এই দুই উপগ্রহ থেকে প্রতিফলিত হওয়া আলো এতটাই দুর্বল যে অন্য নক্ষত্রদের আলোয় তা হারিয়ে যায়।
সাম্প্রতিক তথ্য থেকে আরো জানা গেছে, এই দুই ডাস্ট মুনের অস্তিত্ব বুঝতে ক্যামেরার উপর বিশেষ পোলারাইজড ফিল্টার লাগানো হয়েছিল।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button