‘একই প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ লুটপাটকারীদের শাস্তি হবে’

দেশে বিরাজিত রাজনৈতিক অস্থিরতা ও জনমনে নানা শঙ্কাকে সামনে রেখে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেছেন, ২০১৮ সাল জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর। সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে কিনা; এসব নিয়ে জনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও ক্ষমতার পালাবদলে নির্বাচনই একমাত্র সাংবিধানিক উপায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বিচারিক আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ওই রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ উচ্চতর আদালতে আপিল করবেন মর্মে শোনা যাচ্ছে।
রোববার এক বিবৃতিতে তারা একথা বলেন। এর পাশাপাশি এ মামলার রায় নিয়ে সমাজে বিভিন্ন মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও মন্তব্য করার সময় এখনো আসেনি বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন। তবে এ মামলার একটা ইতিবাচক দিক হচ্ছে রাষ্ট্র ক্ষমতা অপব্যবহারের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতার আইনিপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। ঠিক একই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, হল মার্ক কেলেঙ্কারি, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি, সোনালী ব্যাংক কেলেঙ্কারি, বিসমিল্লাহ গ্রুপ কেলেঙ্কারি, ফার্মাস ব্যাংক কেলেঙ্কারি ও সর্বশেষ জনতা ব্যাংকের ৫৪০৮ কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারিসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ লুটপাট ও পাচারের বিষয়টি অচিরেই বিচারের আওতায় আসবে এবং লুটপাটকারী ও সহায়তাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে বলে জনগণ প্রত্যাশা করছে বলে আশা করেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
নেতৃদ্বয় বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরের আর্থিক শৃংখলা ফিরিয়ে এনে একটি জনকল্যাণমুখী অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষে, “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ”কে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার উদাত্ত আহ্বান জানায়।



