
উৎসবমুখর পরিবেশে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ১৯২১ সালের এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে “সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশে উচ্চশিক্ষা”।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৯৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। ক্যাম্পাসকে সাজানো হয় মনোরম সাজে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন ও হল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বর্ণাঢ্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা, গবেষণা ও আবিস্কার বিষয়ক প্রদর্শনী প্রভৃতি।
সকাল সোয়া ১০টায় প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলে জাতীয় পতাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন এবং উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এর আগে সকাল ১০টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন হল থেকে শোভাযাত্রাসহ প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মলে জমায়েত হন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক র্যালির নেতৃত্ব দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অভ্যাগত অতিথি, ছাত্র-ছাত্রী, বিএনসিসি, রোভারস্ ও রেঞ্জারস ইউনিটের সদস্যরা র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। র্যালিটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়।
সকাল ১১টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দীন সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে দুর্লভ পাণ্ডুলিপি প্রদর্শনী, কার্জন হলে বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগের উদ্ভাবিত চিকিৎসা প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও গবেষণা প্রদর্শনী এবং চারুকলা অনুষদে চিত্রকলা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সুত্র: বাসস




