আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

ইউরোপে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি প্লাস সুবিধা : শ্রমখাতে ব্যাপক সংস্কারের শর্ত

বলাবলি ছিল আগে থেকেই। আচমকা ঘাড়ে চেপে বসা বৈশ্বিক সঙ্কট করোনায় অলোচনাটি ছাই চাপা পড়েছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ উত্তরণের সম্ভাবনা যেনো ঢাকাকে বাড়তি চাপে ফেললো! ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার পূর্বের অবস্থান থেকে আরও ক’কদম এগিয়ে এবার বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি প্লাস সুবিধায় প্রস্তাবিত শ্রম খাতের রিফর্ম বা সংস্কারকে রীতিমত অত্যাবশ্যকীয় পালনীয়
শর্ত হিসাবে যুক্ত করে দিয়েছে। ঢাকা অবশ্য সংস্কারের একেবারে ঘোর বিরোধী নয়। দায়িত্বশীলরা যেটা বলার চেষ্টা করেন তা হলো সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, এটা অভার নাইট বা রাতারাতি সম্ভব হয়েছে দুনিয়াতে বিশেষত ইউরোপের মতো উন্নত অঞ্চলেও এমন নজির খুব একটা নেই। ব্যতিক্রমকে উদাহরণ হিসেবে টেনে আনার পক্ষে নয় ঢাকা এমন মন্তব্য করে ঢাকার এক দায়িত্বশীল কূটনীতিক মানবজমিনকে বলেন, সংশোধনী বা সংযোজনীর জন্য সময় (টাইমলাইন) বেঁধে দেয়া যায়, কিন্তু কোন বিষয়ে ব্যাপক সংস্কার বা খোলনলচে পরিবর্তন আনা যে সময় সাপেক্ষ তা ইইউকে মানতে হবে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মঙ্গলবার এ নিয়ে এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠক হয়েছে। সেখানে ইইউ প্রতিনিধিরা শ্রমখাতের সংস্কার প্রশ্নে জাতিসংঘের কোর কনভেনশন ২৭ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
বাংলাদেশ ওই কনভেনশনের ২৬ ও ২৭ ধারা এরইমধ্যে রেটিফাই করেছে। পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও রয়েছে ঢাকার। কিন্তু ইইউ বলছে, জিএসপি প্লাসের জন্য রেটিফাই যথেষ্ট নয় বরং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের দৃশ্যমান উদ্যোগ থাকতে হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ওই বৈঠকে ঢাকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। শ্রম এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও এতে অংশ নেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button