ইউক্রেনের ৩ জাহাজ জব্দ করেছে রাশিয়া

ক্রিমিয়ার উপদ্বীপে ইউক্রেন নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ জব্দ করেছে রাশিয়া। এ ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এ ঘটনায় দুই দেশই একে-অন্যকে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করেছে।
রাশিয়ার দাবি, রোববার ইউক্রেনের তিনটি জাহাজ ক্রিমিয়ার সমুদ্রসীমায় ঢুকে পড়ে। এর মাধ্যমে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশনের ১৯ ও ২২ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করেছে ইউক্রেন। তাই তাদের জাহাজগুলো আটকে দিয়েছে রুশ নৌবাহিনী।
অন্যদিকে ইউক্রেনের নৌবাহিনী দাবি করেছে, রাশিয়ার সীমান্তরক্ষীরা কৃষ্ণসাগরে তাদের একটি টাগবোটে হামলা চালিয়েছে যা প্রকাশ্য আগ্রাসী তৎপরতা। দুটি যুদ্ধজাহাজ ও একটি টাগবোট আযোভ সাগরের মারিওপোল বন্দরে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা করে রুশ সীমান্তরক্ষীরা। রাশিয়া ওই এলাকাতে দুটো যুদ্ধবিমান এবং দুটো হেলিকপ্টার ডেকে আনে। তারা দাবি করে, নৌযানগুলা অবৈধভাবে তাদের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল এবং ওই পথে চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে নিরাপত্তার কারণে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো পোরোশেংকো বলেছেন, এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি পার্লামেন্টে সোমবার সামরিক আইন জারির ঘোষণার জন্য আহ্বান জানাবেন।
কয়েক মাস ধরেই রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিল। ২০০৩ সালে চুক্তি অনুসারে মস্কো এবং কিয়েভ কের্চ স্ট্রেট এবং আযোভ সাগরের আঞ্চলিক পানি ভাগাভাগি করবে। কিন্তু সম্প্রতি রাশিয়া ইউক্রেনের বন্দর হতে আসা বা তার উদ্দেশে যাত্রা করা সমস্ত নৌযান পরিদর্শন শুরু করে। রাশিয়ার এই আচরণে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।



