ইউএনও’র ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনই যুবলীগের

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- প্রধান আসামি আসাদুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীর আলম।
জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবং আসাদুল ইসলাম আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে কমিটি ভেঙে দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে জাহাঙ্গীর আলম আহ্বায়ক হন।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, রাত পৌনে ৪টার দিকে দিনাজপুরের কালিগঞ্জ সীমান্ত এলাকার বোনের বাড়ি থেকে আসাদুলকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়াও অপর এক অভিযানে জাহাঙ্গীরকে আটক করেছেন র্যাব সদস্যরা। পরে তাদের রাতেই র্যাব-১৩’র হেডকোয়ার্টার রংপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত তিনটায় দুষ্কৃতকারীরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে। হত্যার উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার বাবা ওমর আলীকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
এ ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- রংপুর ডিআইজির একজন প্রতিনিধি এবং দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদ।
পূর্বপশ্চিমবিডি




