slider

আশাশুনিতে ভিয়েতনামী নারিকেল চারাসহ বিদেশি বিভিন্ন ফল ফসলের চাষ করে প্রতারনার শিকার হয়ে মানববন্ধন

আশাশুনি প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার খরিয়াটি বাজারে ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারিকেল চারাসহ বিদেশি বিভিন্ন ফল ফসলের চাষাবাদ করে প্রতারনার শিকার হয়ে ক্ষতিগ্রস্হ শতাধিক কৃষকসহ এলাকার সর্বস্হরের জনগন মানববন্ধন করেন। আজ বিকাল ৪ টায় কৃষি প্রতারনা বন্ধ ও এসব বৈদেশি ফল ফসলের চাষে যারা উদ্ভুদ্ধ করে ইউটিউবে প্রচার প্রচারনা করে তারা বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে এদেশে চারা আমদানি করিয়ে সরকারী হর্টিকালসার ও অসাধু নার্সারি ব্যাবসায়ী দের দিয়ে চারা বিক্রি করিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা তারা হাতিয়ে নিয়ে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি ও হাজার হাজার হেক্টর আবাদি ফসলি জমি নষ্ট করায় প্রতারনার প্রতিকার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।দক্ষিণাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্থ ভিয়েতনামী নারিকেল চাষী সহ সর্বস্তরের মানুষের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ক্ষতিগ্রস্থ চাষী আঃ বারিক, ইউনুস খান, অফেল ঢালি, সবুজ গোলদার, ইনামুল সরদার প্রমুখ। আঃ বারীক বলেন, আমি কপোতাক্ষ বনায়ন ও কৃষি সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারন সম্পাদক। আমরা ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারিকেল লাগিয়ে ক্ষতিগ্রস্হ্য। এ সময় ঐ সংগঠনের সভাপতি মোঃ আওছাফুর রহমান বলেন আমরা বৃক্ষপ্রেমী মানুষ, বিভিন্ন সময় ইউটিউব ও টেলিভিশনে কৃষি অফিসারদের এই নারিকেল চাষে লোভনীয় প্রচারনার ফাদে পা দিয়ে আমি এবং আমাদের চারপাশের শতশত লোকজন ভিয়েতনামি খাটো জাতের নারিকেল চারা রোপন করে ৩ বছরে ফল পাওয়ার আসার কথা থাকলেও গাছ থেকে ৬ বছরের ভিতর ফল আসেনি। আসহায় হয়ে আমি গাছ কেটে ফেলেছি এবং ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। এ ধরনের কিছু অসাধু ব্যাক্তির প্রচারনা কৃষিখাতের জন্য দেশের জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই ভিয়েতনামি খাটো জাতের নারিকেল গাছ যাতে করে দক্ষিণ অঞ্চলের কোন মানুষ না লাগায় তার জন্য আমাদের বিশেষ অনুরোধ রইলো। বক্তারা আরও বলেন, বিভিন্ন নার্সারি মালিকগণ না বুঝে চারা গাছ বিক্রি করছে। বিজ্ঞাপনদাতারা শক্তিশালী তাই প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বক্তাগণ বলেন, আমরা অনেক আশা নিয়ে ৫০০ থেকে ১০/১২ শত টাকা দরে নারিকেলের চারা ক্রয় করে প্রতারিত হয়েছি। তারা প্রতারণার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের শাস্তির দাবি জানান।
সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের কোন রকম গবেষনা পর্যালোচনা ছাড়া কেনো কিছু অসাধু ইউটিউবার কৃষিঅফিসাররা তাদের নিজস্ব বানিজ্যিক ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার প্রচারনা করে সাধারন গাছপ্রেমী মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত করলো তাদের বিচার ও ক্ষতিগ্রস্হ কৃষকরা তারা তাদের ক্ষতিপূরন দাবী করেন এবং বিষয়টি মাননীয় কৃষিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button