আলো থেকে এ দেশ আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না – ওবায়দুল কাদের

মোঃ মাসুদ, কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি : নেতা হতে হলে মানুষের নেতা হতে হবে, মানুষের ভালোবাসা পেতে হবে,বিএনপি এখন খরার কবলে, খরার মধ্যে পরছে বিএনপি,অসুস্থ হয়ে অচিরেই হাসপাতালে যাবে, নির্বাচনে না গেলে আইসিইউতে যাবে, মির্জা ফখরুল আজকে আবার লাফালাফি শুরু করছে,জনগণ নাই,ঢাল নাই, তলোয়ার নাই, শুধুমাত্র নেতাকর্মীর আন্দোলন,তবুও আন্দোলন চলে না।
দেশে সংবিধান আছে নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী , ২০১৪ সালে আপনারা নির্বাচনে আসেননি বয়কট করেছেন, নির্বাচন কি হয়নি হয়েছে, কি দিয়ে নির্বাচন প্রতিরোধ করবেন নির্বাচন, আগুন সন্ত্রাস করে, যে হাতে আগুন নিয়ে আসবেন সেই হাত আমরা পুড়িয়ে দেবো,যেই হাতে দিয়ে স্কুল,ভোট কেন্দ্র ভাংচুর করতে আসবেন সেই হাত আমরা ভেঙ্গে দেবো।
রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারীর) বিকেল ৩ টায় কেরানীগঞ্জ উপজেলার তারানগর ইউনিয়নের ঘাটারচর এলাকায় অবস্থিত কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যলয় প্রাঙ্গনে বিএনপির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজির আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরো বলেন ওদের মতিগতি ভালো না ওদের মতিগতি খারাপ, মতিগতি খারাপ বলেই উল্টাপাল্টা কথা বলতে শুরু করেছে,তাদের আন্দোলনের গতিও কিন্তু কমে গেছে,পাবলিক নাই, নেতাকর্মীও কমে গেছে, ক্ষমতার রঙ্গিন স্বপ্ন দেখে দেখে খাতা নিয়ে বালিশ নিয়ে হান্ডিপাতিল নিয়ে মশারী নিয়ে মশার কয়েল নিয়ে কম্বল নিয়ে সভা সমাবেশ স্থলে ৭ দিন আগেই হাজির হয়ে যায়,পাতিলের পর পাতিল মনে হয় একটা পিকনিক পার্টি, এটাই তাদের আন্দোলন। ১০ ই ডিসেম্বর লাল কার্ড দেখায়, কেউ কেউ হলুদ কার্ড দেখায়, কেউ বলে ১১ তারিখ থেকে দেশ চলবে খালেদা জিয়ার কথায়, কেউ বলে ১১ তারিখে এয়ারপোর্টে ছুটে যাবে, সেখানে নাকি আসবেন হাওয়া ভবনের একসময়ের যুবরাজ বর্তমানে টেমস নদীর তীরে পড়ে পলাতক মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছে সে নাকি ফিরে আসবে, মাঝে মাঝে ভাবতে কষ্ট হয় সেই দল আবার ক্ষমতায় যেতে চায়, হারানো ক্ষমতা এই দেশে ফিরে পাওয়া মুশকিল,আমরা সবই জানি, তারা বিভিন্ন ভাবে চক্রান্ত করে ক্ষমতার মঞ্চ থেকে শেখ হাসিনা কে হাটাব, আপনারা মনে রাখবেন ১৯৭৫ সাল আর ২০২৩ সাল এক নয়, মনে রাখবেন ২০০১ আর ২০২৩ এক নয়,সেই তত্বাবধায়ক সরকার অস্বাভাবিক সরকার, এই তত্বাবধায়ক সরকার কে এই দেশের মানুষ আর চায় না, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনিই প্রথম শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে, আপনারা নির্বাচনে না আসলে আমরা জোর করে আনতে যাবো না কিন্তু নির্বাচন হতে দিবেন না তাহলে খবর আছে, কিভাবে হতে দিবেন না কত ধানে কত চাল আমরাও দেখিয়ে দেবো। ২০২৪ সালের নির্বাচন হবে দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে, ভোট চোরের বিরুদ্ধে,ক্ষমতা লোভীদের বিরুদ্ধে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং আলো থেকে এ দেশ আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না।
শান্তি সমাবেশে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা ২ আসনের সাংসদ এডভোকেট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি,দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া,ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহবায়ক শাহীন আহমেদ প্রমূখ ।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে জেলা,থানা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন ।




