আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

আমেরিকা-কানাডাতে ১৬০০ টন বর্জ্য ফেরত পাঠাবে কম্বোডিয়া

প্লাস্টিক বর্জ্য ভর্তি ৮৩ টি কন্টেইনার যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডাতে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন কম্বোডিয়ার পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এর ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্লাস্টিক বর্জ্য গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানানো দেশগুলোর তালিকায় নিজের নাম লেখালো দেশটি। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই খবর প্রকাশ করে।
মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণ উপকূলীয় বন্দর নগরী শিহানুকভিলে এই কন্টেইনারগুলো খুঁজে পাওয়া যায়। এগুলো আনার জন্য কোন কোম্পানি দায়ী তা এখনো বের করতে পারেনি পরিবেশ মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, এর মধ্যে ৭০টি কন্টেইনার আমেরিকা এবং ১৩টি কানাডা থেকে এসেছে।
কন্টেইনারগুলো কম্বোডিয়ায় আনার জন্য দায়ী প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে পাওয়া গেলে অবশ্যই তাদের শাস্তি দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘কম্বোডিয়া আবর্জনা ফেলার কোন স্থান নয় যে বিদেশি রাষ্ট্রগুলো এখানে তাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ ইলেকট্রনিক আবর্জনা জমা করবে। এছাড়াও সরকার পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে তোলার জন্য যে কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য ও লুব্রিকেন্ট আমদানির বিরোধী।’
এক সপ্তাহ আগে, কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেন একই বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘তার দেশে বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ।’
কয়েক দশক ধরে পশ্চিমের দেশগুলো তাদের প্লাস্টিক বর্জ্য চীনে পাঠাতো প্রক্রিয়াজাত এবং পুনরায় ব্যবহার উপযোগি করার জন্য। কিন্তু গত বছর চীন সরকার প্লাস্টিক বর্জ্য আমদানি নিষিদ্ধ করলে তারা এর জন্য নতুন দেশ খুঁজতে থাকে।
এর ফলে এই বোঝা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ঘাড়ে এসে পরছে। যদিও এই অঞ্চলের দেশগুলো নিজেদের ক্রমবর্ধমান বর্জ্য অপসারণ করতে গিয়েই হিমশিম খাচ্ছে।
গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়া ৮ কন্টেইনার দূষিত বর্জ্য অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত পাঠায়। এর এক সপ্তাহ আগে প্রায় ৫০ কন্টেইনার বর্জ্য ফ্রান্সে ফেরত পাঠিয়েছিল তারা।
এদিকে গত মে মাসে মালয়েশিয়া পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করা ৪৫০ টন বর্জ্য ফেরত পাঠিয়েছিলো। একই মাসে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তিনি নিজে জাহাজে করে ৬৯ কন্টেইনার কানাডার বর্জ্য দেশটির সাগরে ফেলে দিয়ে আসবেন।

বাংলা

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button