
মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, আমার জীবনে যত সফলতা এসেছে তার পেছনে ছিল বাবা-মায়ের দোয়া এবং ভালোবাসা।
মাতা-পিতার পরে সব থেকে বেশি অবদান মানিকগঞ্জবাসীর এবং তারা আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে জাতীয় সংসদে অধিষ্ঠিত করে সম্মানিত করছেন। আমি মানিকগঞ্জবাসীর কাছে চিরস্মরণী এবং তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
১৪ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রয়াত মন্ত্রী হারুণার রশীদ খান মুন্নু’র সহধর্মিণী সদ্যপ্রয়াত মরহুমা হুরন নাহার রশীদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উল্লেখ্য, মুন্নু মেডিকেল কলেজ মাঠে বিমানমন্ত্রীর মাতা ও প্রয়াত মন্ত্রী হারুণার রশীদ খান মুন্নু’র সহধর্মিণী মরহুম হুরন নাহার রশীদ স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের ১০ হাজারের উপরে মানুষের সমাগম ঘটে।
এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাজী আব্দুল হান্নান মৃধা ও সদস্য মোশাররফ হোসেন শিকদার, সাবেক কোষাধ্যক্ষ আব্দুল হক, জেলা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক বিশ্বাস, হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী ওবায়দুর রহমান বাবুল প্রমূখ।
বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল প্রানবন্ত হয়েছে।
বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যট মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খান রিতা বলেন, আজকে আমি মন্ত্রী হয়েছি, তার পেছনে সবটুকু অবদান হচ্ছে আমার মা-বাবা। তারা আমাকে শিখিয়েছেন কীভাবে সফলতা অর্জন করা যায়, কীভাবে সততার সঙ্গে পথ চলতে হয়। বাবা-মায়ের অভাব আর কখনোই পূরণ করা যাবে না।
আফরোজা খান রিতা আরও বলেন, পর্দার আড়াল থেকে মা আমার বাবাকে সবসময় সাহস এবং মনোবল জোগাতেন। বাবার সমস্ত খ্যাতি অর্জনের পেছনে আমার মায়ের ভূমিকা ছিল সবচাইতে বেশি। বাবা-মায়ের কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় আমার তিন ছেলেকে তারা নিজের ছেলে সন্তানের মতো মানুষ করেছেন।
এসময় পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমা হুরন নাহার রশীদের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন, আফরোজা খান রিতার স্বামী মইনুল ইসলাম, বড় ছেলে রাশীদ মাইমুনুল ইসলাম, মেঝ ছেলে রাশীদ সামিউল ইসলাম।
স্মৃতিচারণ শেষে মরহুমা হুরন নাহার রশীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় সহ দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে ।



