আমরা বিক্রির জন্য নই: ট্রাম্পকে গ্রিনল্যান্ড

গ্রিনল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড কিনে নিতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ নিয়ে তিনি গোপনে তার সহযোগী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তবে গ্রিনল্যান্ড স্পষ্ট বলেছে যে, ‘এটি বিক্রয়ের জন্য নয়’।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পরিধি বাড়াতে গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ কিনে নিতে চান ট্রাম্প। এ নিয়ে তিনি নৈশভোজে একটি বৈঠকে তার সহযোগী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের এই পরিকল্পনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলছে, ‘দ্বীপটি ব্যবসা করার জন্য উন্মুক্ত, তবে বিক্রয়ের জন্য নয়।’
এদিকে গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা শুনে বিষয়টি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্পের কয়েকজন উপদেষ্টা। আবার হোয়াইট হাউজের অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন।
ডেনমার্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লার্স লোককে রাসমুসেন টুইট বার্তায় বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি রসিকতা।’
সেপ্টেম্বরের শুরুতে ডেনমার্ক সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে সফরকালে ডেনমার্ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয় নিয়ে কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃত। দ্বীপটি বরফাচ্ছাদিত। কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নর্দান সামরিক বিমান ঘাঁটি রয়েছে গ্রিনল্যান্ডে। দ্বীপটির কৌশলগত অবস্থান এবং এর খনিজ সম্পদের কারণে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বড় বড় শক্তিধর দেশগুলোর নজর পড়ছে এর ওপর।
গ্রিনল্যান্ড কেনার ধারনা নিয়ে সবচেয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান ১০ কোটি ডলারে এটি কেনার প্রস্তাব করেছিলেন।




