
অবেশেষে আকাশে উড়লো বিশ্বের বৃহত্তম বিমান। গত ১৮ আগস্ট ইংল্যান্ডের কার্ডিংটন এয়ারপোর্ট থেকেই উড়াল দেয় এটি। বিমানটির নাম ‘এয়ারল্যান্ডার টেন’. আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে উড়ানো হয়েছে এটি। বিমানটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে বিমানটির ব্রিটিশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হাইব্রিড এয়ার ভেহিকলস (এইচএভি)।
এটি দেখতে এক অংশ বিমানের মতো হলেও অপর অংশ উড়োজাহাজের মতো। এটি লম্বায় ৩০২ ফুট। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে এটি ৪,৮৮০ মিটার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১৪৮ কিলোমিটারবেগে চলতে সক্ষম। এছাড়াও হিলিয়াম ভরার পর কোন যাত্রী না থাকা অবস্থায় এটি দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় এবং মানুষ থাকলে পাঁচ দিন পর্যন্ত আকাশে অবস্থান করতে পারবে বলে জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
মালবাহী বিমান হিসেবে বাণিজ্যিক খাতেও ব্যবহার করা যাবে এটিকে। বিমানটির প্রকল্পে ব্রিটিশ সরকার ২৫ লাখ পাউন্ড সহায়তা দিয়েছে। কারিগরি সমস্যার কারণে গত সপ্তাহে এর প্রথম উড্ডয়নের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ওই সমস্যা দূর করে পরের চেষ্টায় এবার ৩০ মিনিট আকাশে উড়লো বিমানটি।
এটি সম্পর্কে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাকগ্লেন্যান বলেন, ‘এতে হেলিকপ্টারের প্রযুক্তি থেকে কম ব্যয়বহুল ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত হেলিকপ্টার ও বিমানের সংমিশ্রণে তৈরি। যাতে হেলিকপ্টারের সুবিধাও আছে আবার বিমানের সুবিধাও পাওয়া যাবে।’
উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহৎ দাবী করা এই বিমানটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বায়ুযান হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। বাজেট কাটছাঁটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গোয়েন্দা বিমান উন্নয়নের এ প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়।




