অর্থ গ্রহনের অভিযোগ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্ঠা তহশীলদারের

হেদায়তুল নয়ন,আদমদীঘি বগুড়াঃ নামজারী সংশোধনের নামে ২৬ হাজার টাকা র্অথ গ্রহনের অভিযোগ উপজেলা নির্বাহি অফিসার শ্রাবনী রায় অভিযোগ আমলে নিয়ে কারন দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা ভুমি অফিসের কানুনগো সুনীল চন্দ্র সরকারকে। এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন অভিযোগকারী ও স্বাক্ষীদের দরজায় ধরনা ধরছে বলে অভিযোগ কারী মজিবর রহমান জানায়।
উল্লেখ্য, আদমদীঘির দমদমা গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দেিনর ছেলে ফজলে আমিন ফটিক ও তার মৃত ভাইয়ের স্ত্রী আফরোজা বেওয়া তাদের নিজাংশ ও দলিলসুত্রে মালিক হয়ে, ১৮/১৯ অর্থ বছরের ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং নামজারী (খারিজ) করে ১৪২৬ সন পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করিয়া দখলভোগ করিয়া আসিতেছিলেন। তাদের এক ওয়ারীশ উক্ত দুটি খারিজ কেস বাতিলের জন্য ২০২০ সালে উপজেলা ভুমি কমিশনার বরাবর মিস কেস দাখিল করেন। তৎকালিন সময়ে উপজেলা কমিশনার ভুমি মিসকেস পর্যালোচনা করে ১২৩৯ ও ১০৮৭ নং খারিজ কেস বাতিল করে মুল হোল্ডিংয়ে জমি ফেরত দেয়ার আদেশ প্রদান করেন। পূর্বের খারিজের মালিক ফজলে আমিন তার ভাই বউ আফরোজা বেওয়া ও চাচাতো ভাই মজিবর রহমান সহ, এ সম্প্যর্কে জানার জন্য সান্তাহার ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার মশিউর রহমানের নিকট গেলে বাতিল হওয়া ২ টি খারিজ কেস সংশোধন করে দিবে বলে ভুক্তভোগিদের নিকট ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করেন সান্তাহার তহশীলদার মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীন। ভুক্তভোগীরা চুক্তির ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ২০২০ সালে ১০ হাজার ও ২১ সালে ১৬ হাজার টাকা তহশীলদারের নিকট প্রদান করেন। অর্থ গ্রহনের পর থেকে নামজারী (খারিজ) সংশোধন না করে কালক্ষেপন করতে থাকে। গত ১ বছরেও নামজারী (খারিজ) সংশোধন না হলে পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তহশীলদার টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করেন। এঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান নিরুপায় হয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলা ভুমি কমিশনার ভুমি (এসিল্যান্ড) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগটি উপজেলা সহকারী ভুমি (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা নির্বাহি অফিসার শ্রাবনী রায় অভিযোগটি আমলে নিয়ে তহশীলদার মশিউর রহমান ও অফিস সহায়ক জামাল উদ্দীনকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেন। উপজেলা ভুমি অফিসের কানুনগো সুনীল চন্দ্র সরকার নির্দেশ পাওয়ার কথা স্বিকার করেন।




