আন্তর্জাতিক সংবাদ

অভ্যুত্থানকারীরা দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন

তুরস্কে শুক্রবারের ব্যর্থ অভ্যুত্থানটি শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় ওই দিন দিবাগত রাত ৩টায়। কিন্তু অনিবার্য কারণে তারা এগিয়ে ২১.৩০-এ তা শুরু হয়ে যায়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিদ্রোহী নেতাদের কথোকপথনের হোয়াটসআপ মেসেজ বিশ্লেষণ করে এ খবর প্রকাশ করেছে।
ফাঁস হওয়া বার্তায় দেখা যায়, অভ্যুত্থানের শুরুতেই তারা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, সেতু, বিমানবন্দরগুলোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের দিকে এগিয়ে যায়।
তারা স্থানীয় সময় রাত ৯.৩০-এ বিভিন্ন স্থানে সৈন্য পাঠাতে শুরু করে। তাদের হাতে থাকা সামরিক ইউনিটগুলা ১৫ মিনিটের মধ্যেই ইস্তাম্বুলের বসফরাস প্রণালীরর সেতুগুলো কব্জা করে ফেলে। ১০ মিনিট পর তারা রাষ্ট্রপরিচালিত সম্প্রচার কেন্দ্র টিআরটি’র নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, রাত ১০.০০টায় তারা ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দর ঘিরে ফেলে। তবে তারা প্রথম বড় ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়ে মধ্য ইস্তাম্বুলের বেরামপাসায় পুলিশের কাছ থেকে। অবশ্য কিছু পুলিশ অফিসার অভ্যুত্থানে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন।
এরদোগানের নেতৃত্বাধীন তুর্কি কর্তৃপক্ষ রাত ১০টা নাগাদ অভ্যুত্থান সম্পর্কে অবগত হন। এতে করে অভ্যুত্থানকারী নেতারা তাদের প্রতিরোধ করতে আসা নিরাপত্তা বাহিনীর যেকোনো সদস্যকে দেখামাত্র গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখাযায়, সাবেক বিমান বাহিনী কমান্ডার জেনারেল একিন ওজতুর্ক ছিলেন এই অভ্যুত্থানের নাটের গুরু। তার পরিকল্পনা ছিল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা এবং কারফিউ জারি করা।
তবে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তিনি আটক হন। এরদোগান আবার ক্ষমতায় ফিরে আসেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button