অক্সফোর্ডের সেই টিকার ‘হিউম্যান ট্রায়াল’ বৃহস্পতিবার

‘৮০ শতাংশ সফলতা’র স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিখ্যাত শিক্ষাঙ্গন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি নভেল করোনাভাইরাস প্রতিরোধের যে টিকা ( ChAdOx1) তৈরি করেছে বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে সেটি মানুষের শরীরে (হিউম্যান ট্রায়াল) দেয়া হবে।
ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক এই খবর নিশ্চিত করলেও সতর্কতার কথা উল্লেখ করে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই প্রক্রিয়ার কিছুই এখনো নিশ্চিত নয়।’
অক্সফোর্ড ছাড়াও ব্রিটেনের ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে কভিড-১৯’র ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চলছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তাদের সহযোগিতায় গোটা পৃথিবীতে ৭০টির মতো প্রতিষ্ঠান থেকে ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে চীনের একটি এবং আমেরিকার দুটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে মানুষের শরীরে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল দিয়েছে। নিজেদের মতো করে চেষ্টা করছে আরও ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান।
প্রথম ট্রায়ালের জন্য অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন প্রোগ্রামে ৫১০ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৭০ বছর। প্রথমে দেয়া হবে ৫৫ থেকে ৭০ বছর বয়সী সুস্থ মানুষের শরীরে। এরপর ৭০ ঊর্ধ্বদের।
ভ্যাকসিনটির বিষয়ে প্রফেসর অ্যাড্রিয়ান হিল ডেইলিমেইলকে বলেন, ‘শরতে এই টিকা আসা নিয়ে আমি ৮০ ভাগ আত্মবিশ্বাসী। ইতিমধ্যে কয়েক প্রজাতির প্রাণীর ওপর ট্রায়াল দিয়ে সফল হয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ওয়াশিংটন গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা গত ১৬ মার্চ কভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে তাদের তৈরি টিকা দেন প্রথম স্বেচ্ছাসেবী নারী ফার্মাসিস্ট জেনিফার হলারকে। টিকাটির নাম এমআরএনএ-১২৭৩। মর্ডানা নামে একটি মার্কিন বায়োটেকনোলজি কোম্পানির আনুকূল্যে গবেষণাটি করে আসছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা।




