sliderজাতীয়শিরোনাম

৮৩৮ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট কাল

বিগত তিন ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দিন ব্যাপক সংঘাত-সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় আগামীকাল রবিবার অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ ধাপের ভোট নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ভোটার ও প্রার্থীরা। আজ মাগুরার শালিখা উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী সংঘাতে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে। আগামীকাল সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ হবে চতুর্থ ধাপের।
এই ধাপে ৮৩৮টি ইউপির মধ্যে ৩৮টিতে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে। চতুর্থ ধাপের ভোটের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৯৫ জন। বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীরা ছাড়া এই ধাপের ভোটের লড়াইয়ে আছেন ৪৩ হাজার ৪৩৩ জন প্রার্থী। একইসঙ্গে তিন পৌরসভায় ভোট হবে। এই ধাপের ভোট সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মাঠে রয়েছেন পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি সদস্যরা। ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি মালামাল পাঠিয়েছে ইসি। এছাড়া এমপিদের নির্বাচনি এলাকা ছাড়তে চিঠি দিয়েছে।
শুক্রবার মধ্যরাতে এসব নির্বাচনি এলাকায় প্রচারের সময় শেষ হয়েছে। নির্বাচনি প্রচার শেষেও গভীর রাতে বিভিন্ন এলাকায় সংঘাত-সহিংসতা হয়েছে। চার ধাপের ইউপি ভোটে সহিংসতায় এ পর্যন্ত ৮৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ভোটের পরেও তারা থাকবেন। সেই সঙ্গে মাঠে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটও।
চতুর্থ ধাপের ভোটের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৯৫ জন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান ৪৮ জন, সংরক্ষিত সদস্য ১১২ জন ও সাধারণ সদস্যা ১৩৫ জন। বিনা ভোটে নির্বাচিত প্রার্থীরা ছাড়া এই ধাপের ভোটের লড়াইয়ে আছেন ৪৩ হাজার ৪৩৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ৩ হাজার ৮১৪ জন, সংরক্ষিত সদস্য ৯ হাজার ৫১৩ জন ও সাধারণ সদস্য ৩ হাজার ১০৬ জন।
এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি-জাপাসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। তবে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটে না থাকালেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দলের নেতা-কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন।
এমপিদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ
অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচনি এলাকায় সফরকারী বা অবস্থানরত সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছে।
ইতোমধ্যে প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্য অনুসারে যেসব এলাকায় প্রচারণায় বা নির্বাচনি কার্যক্রমে সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে তাদের অবিলম্বে এলাকা ত্যাগ করার জন্য কমিশন নির্দেশ দিয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার হলে তিনি কেবল তার ভোট প্রদানের জন্য ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন। আজ ইসির উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারদের পাঠানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button