sliderরাজনীতিশিরোনাম

স্বাধীনতার মাসে দেশের মালিকরা আজ এক বেলা খাবারের জন্য হাহাকার করছে-এবি পার্টি

পতাকা ডেস্ক: আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি আয়োজিত গণ ইফতারের পঞ্চম দিন আজ পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক প্রফেসর ডাঃ মেজর (অবঃ) আব্দুল ওহাব মিনারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
আজকের গণইফতারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর সাবেক চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জে. নাজিমুদ্দিন, রাষ্ট্রপতির সাবেক সামরিক সচিব মে. জে. (অব.) এহতেশামুল হক, লে. কর্ণেল (অব.) দিদারুল আলম, কর্ণেল (অব.) হেলাল উদ্দিন, কর্ণেল (অব.) নাজিমুদ্দিন, মেজর (অব.) সাইয়্যেদুল ইসলাম, মেজর (অব.) ইমরান, এবি পার্টির যুগ্ম আহবায়ক বিএম নাজমুল হক, যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সহ এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, সংবিধানে দেশের মালিকানা দেয়া হয়েছে জনগনকে। অথচ সেই জনতার অধিকাংশ নারী-পুরুষকে একবেলা পুষ্টিকর খাবারের জন্য ভিক্ষা করতে হচ্ছে। শ্রমজীবি এবং টানাপোড়েনের মধ্যবিত্ত মানুষেরা ভিক্ষাও করতে পারছে না, আবার স্বচ্ছলভাবে জীবন যাপনও করতে পারছে না। সরকার বাজার নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে এলোমেলো কথা বলছে।
এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্যে মে. জে. (অব.) এহতেশামুল হক বলেন, এবি পার্টির গণ ইফতার কার্যক্রম দেখে আমি অভিভূত। তিনি পার্টির নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই কর্যক্রমের মাধ্যমে এবি পার্টি গণমানুষের রাজনীতি করছে। তারা মানুষের কল্যানে কাজ করছে, আমি তাদের এই কার্যক্রমের সাথে একমত।
লে. কর্ণেল দিদার বলেন, এবি পার্টির এই জনকল্যাণমূখী কার্যক্রমকে সমর্থন করতে আমরা আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের বন্ধুবর এবি পার্টির নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানাই এত সুন্দর একটি উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য। তিনি আরও বলেন, আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি দেশের বিভিন্ন জায়গায় ইফতার পার্টিতে বাধা দেয়া হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে। একসাথে বসে ইফতার করা আমাদের সমাজের ঐতিহ্য। এটাতে যারা হামলা চালায়, বাধা দেয় তারা আমাদের সমাজের অংশ নয়। এই অপশক্তিকে প্রতিরোধ করতে হবে, প্রতিহত করতে হবে।


কর্ণেল (অব.) হেলাল উদ্দীন বলেন, এবি পার্টি প্রতিবছর এই ভালো কাজটা করে এজন্য আমি দোয়া করি তারা যেন এমন কাজ অব্যাহত রাখা যায়। মেজর (অব.) ইমরান এবি পার্টির এই মহৎ উদ্দোগকে স্বাগত জানিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আমাদের সামনে উপস্থিত রোজাদার ভাইয়েরাই এই রাষ্ট্রের মালিক, দেশের জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক। আজ মালিকরা তাদের মালিকানা হারিয়েছে। জনগণের এই মালিকানা ফেরত আনতে হবে। কোন পরিবার বা ব্যাক্তির কাছে আমরা রাষ্ট্রের মালিকানা ছেড়ে দিবোনা ইনশাআল্লাহ। এজন্য প্রয়োজনে যেকোন লড়াই, সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে আমাদের সকলকে মিলে।
সভাপতির বক্তব্যে মেজর (অব.) মিনার বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এর আগেও ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা স্বামীকে বেধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। যখনই আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে তখন নারীরা সম্ভ্রমহানীর শঙ্কায় থাকে। এইভাবে একটি রাষ্ট্র চলতে পারেনা। এদের প্রতিরোধ করার বিকল্প নেই।

এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, যুবপার্টির আহবায়ক এবিএম খালিদ হাসান, সহকারী সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান, ছাত্রপক্ষের আহবায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button