sliderস্থানীয়

সুনামগঞ্জের বানভাসি মানুষের সাথে “মানুষের পাশে” সংগঠন

হৃদয় মাহমুদ, মানিকগন্জ :   “মানুষের পাশে” সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাজের কিছূ মানবিক বেক্তিবর্গের অর্থায়নে সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার নিলাদ্রী হাওড়ের রতনশ্রী গ্রাম ও আশেপাশের পানি বন্দি বন্যার্ত প্রায় ৪০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সম্বলহীন মানুষের যেন শেষ নেই। হঠাৎ আকস্মিক বন্যা আবির্ভাবের কারনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এখানকার স্থানীয় খেটে-খাওয়া দিনমজুর মানুষের। ক্ষতিগ্রস্থ একাধিক ব্যাক্তির সাথে কথা বলে জানা যায় যে প্রচন্ড বৃষ্টি ও ভারতের পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির প্রভাবে বিকেলে যে রাস্তাঘাট ফসলি জমি শুকনো মরুভূমি ছিল তা মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে এক রাতের মধ্যেই সকল রাস্তাঘাট, গোলার ধান, গবাদিপশু সহ বস-বাড়ির সকলকিছু পানিতে ভাসমান হয়ে গেছে, কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই যেন সবকিছু শেষ হয়ে গেছে তাদের, বিধায় ক্ষতির পরিমাণটা অকল্পনীয় আকার ধারণ করেছে। এসময় মানুষের পাশে সংগঠনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড সাইফুল ইসলাম খান (রিমন), যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান ও প্রচার সম্পাদক হৃদয় মাহমুদ, এছাড়াও এই কার্যক্রমকে সহযোগিতা জন্য সেচ্ছাসেবী হিসেবে সিলেট থেকে সাথে ছিলেন পঞ্চম দাস, যুবরাজ ও সোহাগ সহ অনেকেই। তাহেরপুরের মধ্যবৃত্ত সচ্ছল পরিবারটাও যেন একরাতের ব্যবধানেই সয়স্মবলহীন হত-দরিদ্রে পরিনত হয়ে গেছেন। মানুষের পাশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড সাইফুল ইসলাম খান রিমন কে জিজ্ঞেস করলে বলেন যে, এখানে অসহায় মানুষের যেন শেষ নেই, আমাদের সাথে নিয়ে আসা মাত্র ৩০০-৪০০ ব্যাগ খাদ্য সামগ্রী কাকে রেখে কাকে দিব বুঝতে পারছি না, কারন এখানে দেখতে পাচ্ছি যার ঘরে ৪/৫ টি গবাদিপশু, গোলাভরা ধান বা অন্যান্য ফসলে ভরা ছিল আজ তারা কয়েকঘন্টার ব্যাবধানেই হতদরিদ্রে পরিনত হয়ে গেছে, চারিদিকে শুধু হাহাকার। এ সময় তিনি সারাদেশের বৃত্তবান সকল মানবিক মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে প্লিজ আপনারা এই অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করুন, তাদের জন্য কিছু একটা করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button