sliderস্থানীয়

সিংগাইরে রাতের আঁধারে ৩ ফসলি জমি থেকে চলছে মাটি বিক্রি

সিরাজুল ইসলাম,সিংগাইর(মানিকগঞ্জ): মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ৩ ফসলি জমি থেকে চলছে মাটি বিক্রি। গভীর করে মাটি কাটার ফলে আশে পাশের কৃষি জমি ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। ফলে পাশের কৃষি জমি ভেঙ্গে নষ্ট হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের নবগ্রাম চকের খোঁজের নবগ্রাম মৌজায় মানিক মেম্বারের ইটের ভাটার অদূরে কৃষক ওমর আলীর ৫ বিঘা জমি হতে স্থানীয় প্রভাবশালী লাভলু মিয়া, তারা মেম্বার,সিংগাইর অগ্রনী ব্যাংকে কর্মরত মো.মহসিন আলী,আনোয়ার হোসেন,আবুল হোসেন ও হাসান এ মাটি কেটে বিক্রি করছে। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কৌশলে রাতভর মাটি কেটে কেবিসি-২ ও এফবিসি ভাটায় বিক্রি করছে। এতে মাটি বিক্রেতারা লাভবান হলেও কমে যাচ্ছে কৃষি জমি। ফলে ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে, মাটি বহনকারী ট্রলি ও ট্রাকের দাপটে গ্রামীণ রাস্তা ঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় রাশেদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন,,আমাদের এ চকে ফসলি জমিতে ধান,পাট, সরিষার ব্যাপক ফলন হয়। এলাকার চিহ্নিত মাটি ব্যবসায়ী চক্র কৃষকদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে জমি ক্রয় করে। পরে তারা রাতের আঁধারে মাটি কেটে জলাশয়ে পরিনত করছে। এতে পাশের জমির অন্য মালিকরাও তাদের কাছে মাটি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয়রা আরো জানান, চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় বাধা দিয়েও মিলছে না প্রতিকার। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ী তারা মেম্বার ও মহসিন আলীর কাছে ৩ ফসলি জমি থেকে মাটি কাটা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ করেন।
বলধারা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, মাটি কাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। শুনেছি রাতের আঁধারে মাটি কাটে বিষয়টি মৌখিকভাবে এসিল্যান্ড স্যারকে অবগত করেছি।
এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি)আব্দুল কাইয়ূম খাঁন বলেন,আমি নায়েব সাহেবকে পাঠিয়ে বন্ধ করে দিচ্ছি । তারপরও মাটি কাটা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button