sliderউপমহাদেশশিরোনাম

ভারতের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সুপ্রিম কোর্টের জুনিয়র অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে কাজ করা এক তরুণী এ অভিযোগ করেন।
গত বছর অক্টোবরে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেওয়ার দিন কয়েক পরেই নিজের বাড়িতে তাঁর শ্লীলতাহানি করেন রঞ্জন গগৈ উল্লেখ করে অভিযোগে তিনি বলেন, আমার কোমর জড়িয়ে ধরেন তিনি। সারা শরীর স্পর্শ করেন এবং নিজের শরীর দিয়ে আমার ওপর চাপ দিতে থাকেন। জোর করে ঠেলে রঞ্জন গৈগকে তিনি সরিয়ে দেন বলে দাবি করেছেন। এই বিষয়ে কাউকে কিছু না বলতেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই তরুণী। এরপর মাত্র চার সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন বিভাগে তিনবার ট্রান্সফার করা হয় বলে দাবি করেছেন ওই মহিলা। শুধু তাই নয়, দিল্লি পুলিশের কাজ করা তাঁর স্বামী ও দেওরও এরপর চাকরি হারান বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি চলে। এই মামলার রায় বিচারপতি অরুণ মিশ্র দেবেন বলে জানিয়েছেন রঞ্জন গগৈ। ২০ বছরের কেরিয়ারে তাঁকে এমন অভিযোগের মুখে পড়তে হবে তা কখনোও ভাবেননি বলে আক্ষেপ করলেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর পিওনের তাঁর থেকে বেশি সম্পত্তি রয়েছে বলেও এদিন মনে করিয়ে দেন তিনি। বিচার বিভাগকে ইচ্ছাকৃত ভাবে টার্গেট করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এই অভিযোগ মিথ্যে বলে খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেল। ই অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে বলে দাবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেল। ওই মহিলা আরও ৫-৬ জনের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির বাড়িতে কাজ করতে গেলেও তাঁর সঙ্গে রঞ্জন গগৈ-এর কখনোও কথা হয়নি বলে দাবি করেছেন সেক্রেটারি জেনারেল। ওই মহিলার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এ অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন, এমন অভিযোগে বিচার বিভাগ হুমকির মুখে। তার দাবি এ অভিযোগের নেপথ্যে রয়েছে কোনো ষড়যন্ত্র। তার ভাষায়, এর নেপথ্যে বড় কোনো শক্তি আছে। তারা প্রধান বিচারপতির পদটির কর্মতৎপরতা বন্ধ করতে চায়।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button