sliderস্থানীয়

বাঘাইছড়ি থেকে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রী এপি চাকমার খোঁজ মেলেনি ১৫ দিনেও

ওমর ফারুক সুমন : রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার কাচালং সরকারী কলেজের একাদ্বশ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী এপি চাকমা ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। সে উপজেলার মারিশ্যা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড এলাকার সুভ্রাংসু চাকমার মেয়ে। নিখোঁজ কলেজ ছাত্রী এপি চাকমার মা, নিতা চাকমা জানান গত ৩ ডিসেম্বর সকাল ৭ ঘটিকায় একই এলাকার বারিবিন্দু ঘাট এলাকায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য বাড়ী থেকে বের হয়ে আজো ফিরে আসেনি। সকাল গড়িয়ে বিকেল হলেও এপি চাকমা বাড়ীতে ফিরে না আসায় আশপাশের গ্রাম ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়ীতে খোঁজেও কোন সন্ধান না পেয়ে গত ৭ ডিসেম্বর একমাত্র মেয়ের সন্ধান চেয়ে বাঘাইছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন , ডাইরি নং ১৯৮ । পরে রাঙ্গামাটির ইনডিপেনডেন্ড টেলিভিশন প্রতিনিধি হিমেল চাকমা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমার সহায়তায় বিভিন্ন জায়গায় খবর নিয়ে প্রাথমিক ভাবে ধারনা পাওয়া যায় মেয়েটি এক যুবকের সাথে পালিয়ে যায়। উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা ব্যাক্তিগত ভাবে মোবাইল ফোনের সাহায্যে ছেলেটির সাথে কথা বলে মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেও সফল হননি পরে পুলিশের বিশেষ শাখা (পিবিআই) চট্রগ্রাম অঞ্চলের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমার সাথে কথা বলে মোবাইল কর্ললিষ্ট সংগ্রহের মাধ্যমে জানা যায় মেয়েটি চট্টগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। পরে ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১০ ঘটিকায় বাঘাইছড়ি থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ মাহামুদ ও এস,আই রানা বড়ুয়া মারিশ্যা ইউনিয়নে এপি চাকমার বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য চট্টগ্রামে পুলিশের পিবিআই শাখার পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমার সাথে যোগাযোগ করে সহযোগীতা চাওয়া হয়। এদিকে দীর্ঘ ১৫ দিন পার হলেও এক মাত্র মেয়ের কোন খোজ না পেয়ে মা নিতা চাকমা ও প্রতিবন্ধি একমাত্র ভাইটি দিশেহারা। তাই মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য সকলের সহযোগীতা চেয়েছে তার পরিবার ও সহপাঠীরা। একাদ্বশ শ্রেণীতে পড়াশোনার পাশাপাশি নিখোঁজ এপি চাকমা উজনী যুব শিল্পী গোষ্ঠীর একজন সক্রিয় সদস্য ছিলো বলে জানাযায়। মোবাইলে কথা বলা উক্ত যুবক মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি শিকার করেনি ফলে এপি চাকমার নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে, আসলেই কি এপি চাকমা কারো সাথে পালিয়েছে নাকি অপহরণের শিকার হয়েছেন তাও খোঁজে দেখছে পুলিশ।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button