sliderস্থানীয়

পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন সম্ভব

আব্দুর রহমান রাসেল,রংপুর ব্যুরো: পৃথিবীতে কেউ সাফল্যের চামচ নিয়ে জন্মলাভ করে না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করতে হয়। যে কোনো ক্ষেত্রে সফলতার প্রথম শর্ত হল প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিম। মানুষ যদি তার লক্ষ্যে অটুট থাকে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে, তবে একদিন সে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছতে পারে। আমাদের চারপাশে অনেক প্রতিভাবান ব্যক্তি দেখতে পাই। যেমন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ০৬নং ওয়ার্ডের বুড়িরহাট কোবারু গ্রামের মশিয়ার রহমান (নাহিন)। সে ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে নিজের উদ্যেগে ফলজ, বনজ নার্সারী ও ভালোমানের মাছের পোনা এবং মাছ চাষ করেন। এরপর যুব উন্নয়ন, প্রাণী সম্পদ ও মৎস্য সেক্টর থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন মশিয়ার রহমান (নাহিন)। ২০০৬ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় কর্তৃক “গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী পালন, মৎসচাষ ও কৃষিবিষয়ক কোর্সে অংশগ্রহন করে “ক” গ্রেডে উত্তীর্ণ হন।
২০০৬ইং সালে রংপুর সদর উপজেলার যুব উন্নয়ন ও মৎস্য অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। মৎস অধিদপ্তর, রংপুর কর্তৃক ২০০৭ সালে মৎস অধিদপ্তরের স্বাদু পানির চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্প এর আওতায় গলদা চিংড়ির একক ও মিশ্রচাস প্রশিক্ষণ সাফল্যর সাথে সমাপ্ত এবং সনদপত্র অর্জন করেন।
মশিয়ার রহমান (নাহিন) বলেন, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৮ইং মেলায় অংশ গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রশাসক ও মৎস অধিদপ্তর কর্তৃক শুভেচ্ছা স্বারক অর্জন,জেলা প্রশাসক ও মৎস অধিদপ্তর থেকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯ইং মৎস্য মেলায় নাহিন মৎস্য হ্যাচারী নামে ১ম স্থান পুরস্কার অর্জন করি। প্রতিনিয়ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিকট হতে সাহায্য পেয়ে আসছি। এর ফলে আমার কাছে অনেক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাদের আত্ম কর্মস্ংস্থানের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠানের ফলজ ও বনজ নার্সারী, মাছ চাষ, গবাদি পশু পালন, মৎস্য হ্যাচারীর কাজে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক মেলায় অংশ গ্রহণ এবং পুরস্কার অর্জন করেছি। আমার এই সফলতার চাবিকাঠি হিসেবে অবশ্যই যুব উন্নয়নকে মনে করি। এছাড়াও আমি নিজেই অনেক বেকার যুবক ও যুব নারীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সাহায্য করেছি। বর্তমানে আমার এলাকায় কয়েকটি প্রকল্প দিয়েছি রংপুর ও অন্যান্য এলাকায় আমার প্রায় ৫৫ জন কর্মী কাজ করে।
নাহিন মৎস হ্যাচারী এন্ড এগ্রো ফিড মিল লিঃ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যুবক ও যুব নরীরা বেকারত্ব মুছন করছে এটাই আমার জন্য বড় আর্শিবাদ। ২০০৫ সালে উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে মৎস সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (৩য় পর্যায়) পার্বতীপুর, দিনাজপুর কর্তৃক প্রাইভেট নার্সারী মালিকগনের জন্য (নার্সারী পুকুর ব্যবস্থাপনা) শীর্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন করি। বর্তমানে আমি নিজেকে একজন সফল আতœকর্মী বলে মনে করি।

Related Articles

Back to top button