sliderস্থানীয়

পটিয়ার পুর্বঅঞ্চলের শীর্ষ মাদক কারবারিরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে : ধ্বংস হচ্ছে যুবসমাজ

এম এ আজাদ, পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা কেলিশহর ইউনিয়নে ইন্নার পাড়া ও সেনপাড়া কালা বাবা আশ্রম এলাকায় গড়ে উঠেছে নতুন-পুরাতন মিলিয়ে মাদক ও ইয়াবা আখড়ার সিন্ডিকেট । ফলে এলাকার উঠতি বয়সের ছাত্র ও তরুণ যুবসমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছ। এসব মাদক ও ইয়াবা সিন্ডিকেটের প্রধান কেলিশহর ইউনিয়নের ইন্নার পাড়ার মোঃ মহসিন হাইদগাও ইউনিয়নের৷ নেজাম উদ্দীন ও কুতুবউদ্দিন। জানা যায়, মহসিন, নেজাম ও কুতুব চিহ্নিত মাধক কারবারি তাদের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কেলিশহর ও হাইদগাও ইউনিয়নো ৫০/৬০ জনের মাদক সিন্ডিকেট। দীর্ঘদিন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পটিয়ার কেলিশহর পূর্ব অঞ্চল পাহাড়ের একটি সিন্ডিকেট গঠন করে এ মাদকের রমরমা বাণিজ্য চালাচ্ছে । এমন কি তাদের এ কাজে ব্যবহার করছে ছোট শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের নারীদের। তাদের সাথে যুক্ত রয়েছে রোহিঙ্গা।
মাদক কারবারিদের ট্রানজিট নিরাপদ পয়েন্ট হিসাবে ব্যবহার করছে পূর্ব অঞ্চল পাহাড় এলাকায় মডেল টাউন এলাকা ও দোয়ালীশা মাজার সংলগ্ন সড়ক দিয়ে পঞ্চাশ পাহাড়, পুরাতন ফরেস্ট বিট অফিস, খিল্লাপাডা, বডুয়াপাড়া, সেনপাডা আশ্রম, মৌলবীবাজার, মাঝির পাডা সড়ক। মাঝে মধ্যে দারগাহাট ও ভট্টাচার্য হাটে জনসম্মুখে কোমড়ে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয় মাদক ব্যাবসায়ীরা মহসিন, নেজাম- কুতুব বিএনপি ক্যাডার জসিম এর সহযোগী বলে এলাকার লোকজন সুএে জানা যায়। জসিম প্রতিপক্ষ হাতে নিহত হলে তার অস্ত্র ভান্ডার নিয়ন্ত্রণে নেন নেজাম ও কুতুব ও মহসিন । বর্তমান সরকার আমলে মহসিন নেজাম ও কুতুব বীরদর্পে মাদক ও ইয়াবা ব্যাবসা জমজমাট চালাচ্ছে বলে এলাকার লোকজনের এবং স্থানীয় সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। পটিয়া থানার পুলিশ হাতে এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে দুর্ধর্ষ মাদক ও ইয়াবা সম্রাট মহসিন, নেজাম উদ্দীন ও কুতুব উদ্দিন বাহিনী। তাদের মাদক ব্যাবসা ও সন্রাসী সিন্ডিকেট মুর্তিমান মানুষের আতংক। তাদের ভয়ে মানুষ মুখ খুলার সাহস পাচ্ছে না বলে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক নারী- পুরুষ জানান। এছাড়াও পটিয়ায় প্রতিদিন ঢুকছে হাজার হাজার লিটার চোলাই পাহাড়ি মদ তার পাশাপাশি কুটির ব্যবসা অর্থাৎ ইয়াবা। আর এ মরণ নেশা ইয়াবা ও মাদক পাচার প্রধান সড়ক হিসাবে পটিয়া- কেলিশহর রতনপুর সড়ক। তাদের সাথে বোয়ালখালীর করল ডেঙ্গা পাহাড়ি এলাকার মাদক কারবারিদের যোগাযোগ রয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ চট্টগ্রাম জেলার (পটিয়া) ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অবগত রয়েছি এসব মাদক কারবারিদের অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকার লোকজনের অভিযোগ মহসিন এর মাদক ব্যাবসার বাঁধা দিলে তাদের হত্যার হুমকি ধামকি দিচ্ছে এমনকি তার কাছে অস্ত্র রয়েছে। সে অস্ত্র দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে পাহাড়ি জনপদে একচেটিয়া মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। তার সাথে পাহাড়ি উপজাতি সন্রাসীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে অপহরণ মুক্তিপণআদায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে এলাকার লোকজনের ধারণা। বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জরুরি মনে করেন সচেতন মহল। 

Related Articles

Back to top button