sliderস্থানীয়

দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজার থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ওসির বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজার থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে দেবীদ্বার থানার স্বয়ং ওসির বিরুদ্ধে।
সরকার অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ থাকলেও কে শুনছে কার কথা। কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলায় হরমামেশাই চলছে অবৈধ ড্রেজার। দিনদিন ফসলি জমি কেটে উজার করে দিচ্ছে একটি মহল। যার ফলে বসতবাড়ি, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা ধসে যাচ্ছে এবং হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশ। স্থানীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব ড্রেজার দিয়ে গ্রামাঞ্চলের নদী, খাল ও বিল থেকে যত্রতত্র ভূগর্ভস্থ বালু উত্তোলন করায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী।
এছাড়াও স্থানীয় ভাবে অনেকে কম খরচে নিচু জমি ভিটা তৈরীর ক্ষেত্রে সরকারি নদী ও খাল থেকে এ বালু উত্তোলন করে। তাছাড়া কম খরচে ও সহজ পদ্ধতিতে বালু পাওয়ায় বিধ্বংসী এই ড্রেজার ব্যবহার করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বেক্তি জানান, দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নয়ন মিয়ার নেতৃত্ব থানার কেশিয়ার হেলাল সুবিল ইউনিয়ন, রাসুলপুর ইউনিয়ন ইউছুবপুর ইউনিয়ন এলাকায় প্রায় ২৫টি অবৈধ ড্রেজার থেকে চাঁদা ওঠায় প্রতি মাসে জন প্রতি ১৫০০০ টাকা করে, প্রতি সপ্তাহে কিছু এসআই সরজমিন গিয়ে অবৈধ ড্রেজার থেকে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে অবৈধ ড্রেজার চালানোর অনুমতি দেয়, খুজ নিয়ে আরও যানা গেছে, সিএনজি অটোরিকশা থেকে জিপি বন্ধ হলেও দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতি মাসে টোকন বানিজ্য বন্ধ করেনি। প্রায় ৩ শতাদিক সিএনজি অটোরিকশা থেকে টাকা আদায় করছে বলে জানান এলাকাবাসী ও সিএনজি অটোরিকশার মালিকরা। দেবীদ্বার উপজেলায় কোনো বিষয় এ তদন্ত করতে পুলিশ গেলে তাদের ভারা দিতে নুন্যতম ২ হাজার টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা। প্রশ্ন হলো সরকারি দায়িত্ব পালন করতে পুলিশ যখন ডিউটিতে যায় তাদের খরচ সরকার বহন করার কথা। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে দেখা যায় পুলিশ কোনো তদন্তে আসলে ফোন করে বলে খরচ দিলে কাল আসবো। এভাবেই দীর্ঘদিন যাবত চলছে পুলিশের নিরব চাঁদাবাজি। এভাবেই ভুমীখেকোদের সহায়তার ফলে কৃষি জমি ধংস করে পুলিশ প্রশাসন। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দ্রুত ওসি নয়ন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button