sliderরাজনীতিশিরোনাম

গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সভার সিদ্ধান্ত

আগামী ২৮ জুলাই দেশবাসীর কাছে গণতন্ত্র মঞ্চের রূপরেখা তুলে ধরা হবে। উন্নয়নের কথা বলে সরকার তাদের সকল অন্যায়, অপরাধ আর দুষ্কর্মকে আড়ালে রাখতে চায়।কোন জবাবদিহিতা না থাকায় সরকারের দম্ভ,অহমিকা ও স্বেচ্ছাচারীতা সকল সীমা অতিক্রম করেছে।
সাত দলের সমন্বয়ে গঠিত গণতন্ত্র মঞ্চ আগামী ২৮ জুলাই ২০২২ দেশবাসীর কাছে মঞ্চের রাজনৈতিক রূপরেখা প্রকাশ করবে।ইতিমধ্যে মঞ্চের রূপরেখা নীতিগতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।
গতরাতে সেগুনবাগিচায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র মঞ্চের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, জোর করে ক্ষমতায় থাকতে যেয়ে সরকার দেশকে গভীর অনিশ্চয়তা ও ভয়ংকর বিপদের দিকে ঠেলে দিয়েছে। উন্নয়নের কথা বলে তারা তাদের সকল অন্যায়, অপরাধ ও গণবিরোধী দুষ্কর্মকে আড়ালে রাখতে চায়। কোন পর্যায়ে সরকারের কোন জবাবদিহিতা না থাকায় তাদের দম্ভ, অহমিকা ও স্বেচ্ছাচারীতাও সকল সীমা অতিক্রম করেছে। সম্ভাবনাময় একটা দেশ ও জনগোষ্ঠীকে হিংসা, ঘৃণা ও প্রতিশোধাত্বক কৌশলে তারা বিভক্ত করে ফেলছে। জনম্যান্ডেটবিহীন এই সরকারের কাছে দেশ ও জনগণের কোন গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নেই।
নেতৃবৃন্দ, এই সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন অন্তর্বতীকালীন গঠন ও দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা নিশ্চিত করতে রাজপথে জনগণের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার উদাত্ত আহবান জানান
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন গনসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহবায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নূরুল হক নূর, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা জিন্নুর চৌধুরী দীপু, জেএসডির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামালউদ্দীন পাটোয়ারী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কারী এডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতা বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, হাবিবুর রহমান রিজু, রাশেদ খান, বাচ্চু ভূঁইয়া, আকবর খান, এডভোকেট গিয়াসউদ্দিন, হাবিবুর রহমান, এডভোকেট জাবির, মাহবুব মুকুল, সাকিব আনোয়ার প্রমুখ, ফারুক হাসান প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ বন্যাদুর্গত অঞ্চলসমূহে বানভাসি অধিকাংশ মানুষের কাছে এখন ও সরকারের ত্রাণসামগ্রীর কিছুই পৌঁছেনি, সরকারের বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনেরও কোন তৎপরতা নেই।নেতৃবৃন্দ জরুরী ভিত্তিতে দূর্গত অঞ্চলে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button