sliderস্থানীয়

কটিয়াদীতে খুনের মামলা থেকে বাঁচতে আবারও খুন

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ২০১৯ সালের একটি হত্যা মামলার আসামিরা তাদের প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বোরহান উদ্দিন নামে। এক যুবককে হত্যা করে। এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রোববার রাতে ঢাকা থেকে র্য্যাব(রেব) কতৃক ৩ জনকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের কাছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— নিহত বোরহান উদ্দিনের চাচাতো ভাই বনগ্রাম ইউনিয়নের নাগেরগ্রাম গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন অঞ্জু, মৃত দুলাল নিয়ার ছেলে মুর্শিদ মিয়া ও আব্বাস আলীর ছেলে ফজলুর রহমান। তাদের মধ্যে জাকির হোসেন অজু পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানান, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল একই গ্রামের এরশাদ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যায় এক নম্বর আসামি তিনি। তাই অজু ও অন্য আসামিরা এ হত্যা মামলা থেকে সুবিধা নিতে জামিনে বের হন এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে পরিকল্পিতভাবে বোরহানকে গত বুধবার হত্যা করে এরশাদ হত্যা মামলার বাদীর বাড়ির পাশে লাশ ফেলে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

ঢাকা থেকে ৩ জনকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের কাছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— নিহত বোরহান উদ্দিনের চাচাতো ভাই বনগ্রাম ইউনিয়নের নাগেরগ্রাম গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে জাকির হোসেন অজু, মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে মুর্শিদ মিয়া ও আব্বাস আলীর ছেলে ফজলুর রহমান। তাদের মধ্যে জাকির হোসেন অজু পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানান, ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল একই গ্রামের এরশাদ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যায় এক নম্বর আসামি তিনি। তাই অজু ও অন্য আসামিরা এ হত্যা মামলা থেকে সুবিধা নিতে জামিনে বের হন এবং প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে
পরিকল্পিতভাবে বোরহানকে গত বুধবার হত্যা করে এরশাদ হত্যা মামলার বাদীর বাড়ির পাশে লাশ ফেলে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ জানান, এ ঘটনায় মামলার পর থেকে অব্যাহত অনুসন্ধান তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্লু মেলে। পরে জড়িত তিনজনকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়। আটকের পর তারা একে একে পুলিশের কাছে এরশাদ হত্যা মামলার বাদীকে ফাঁসাতে বোরহানকে খুনের চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়। তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পাঁচ
দিনের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয় ।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button