sliderরাজনীতিশিরোনাম

এবি পার্টির কালো পতাকা মিছিল : জনগণ জানিয়ে দিয়েছে তারা আওয়ামীলীগকে চায়না

পতাকা ডেস্ক : ৭ জানুয়ারির নির্বাচন নামক প্রহসনকে ‘গণতন্ত্র হ্ত্যা’ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিবাদে আজ রাজধানীতে কালো পতাকা মিছিল করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি ‘এবি পার্টি’। বিকেল ৩ টায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে কালো পতাকা মিছিলটি শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মিছিলের শুরুতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, যুবপার্টির আহবায়ক এবিএম খালিদ হাসান ও মহানগর উত্তরের আহবায়ক আলতাফ হোসাইন।
মেজর অব. মিনার বলেন, দেশের মানুষ এই ফ্যাসিবাদের ভয়ে আজ কোন কথা বলতে সাহস পায় না। তারা চিন্তা করতেও ভয় পাচ্ছে, কখন সে নির্যাতনের শিকার হয়। এটাই ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য। ভয় সৃষ্টির মাধ্যমেই ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের মাথায় চেপে বসেছে। এই স্বৈরাচার হঠাতে সবাইকে কথা বলতে হবে, মাঠে আন্দোলনে ভুমিকা রাখতে হবে।


তিনি বলেন, অবৈধ এই সরকারের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে। তিনি সবাইকে আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহবান জানান।
সমাবেশ থেকে এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন ৭ জানুয়ারি জনগণ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে আওয়ামীলীগকে তারা আর চায়না। আমরা ধারনা করতাম আওয়ামীলীগের সমর্থন কিছুটা কমলেও ক্ষমতা ও লুটপাটের অর্থের জোরে তারা অন্তত: সেটা ঢেকে রাখতে পারবে, কিন্তু এই প্রহসনের নির্বাচন আওয়ামীলীগকে আরও একধাপ নীচে নামিয়ে দিল। জনগণ নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে তাদেরকে চরমভাবে অপমানিত করেছে। তিনি বলেন যারা ভোট দিতে যান নাই তারা এই যুগের মুক্তিযোদ্ধা আমরা তাদের স্যালুট জানাই। এবি পার্টি নেতা বলেন আওয়ামীলীগ শুধু জাতির স্বপ্নই ভঙ্গ করেনি, এই প্রহসনের নির্বাচনে যারা টাকা ও এমপি পদ পাওয়ার লোভে আওয়ামীলীগের দালালী করেছিল তাদের সাথেও তারা বেঈমানী করেছে। এই প্রতারণামূলক নির্বাচনের পর নূন্যতম দেশপ্রেম থাকলে বিবেকবান আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের দল থেকে গণ পদত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হবার পরেও ক্ষমতা হস্তান্তর না হওয়ার প্রেক্ষিতে শুরু হয় আমাদের মুক্তির লড়াই, গনতন্ত্র এবং স্বাধীনতার লড়াই। ৭ জানুয়ারি ২০২৪ সালে ফেলানী দিবসের ১৩তম বার্ষিকীতে একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা নতুন করে আবার পরাধীন হয়ে গিয়েছি আওয়ামী দখলদারদের হাতে। তাই নতুন করে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব আর গনতন্ত্রের জন্য লড়াইতে নামতে হবে পুরো জাতিকে। জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক জনতাকে তাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে যতদিন পর্যন্ত না আওয়ামী দখলদার থেকে মুক্তি মেলে।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব আব্দুল বাসেত মারজান, সহকারী সদস্যসচিব শাহ আব্দুর রহমান, এম আমজাদ খান, অধ্যাপক আবু হেলাল, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, হাদিউজ্জামান খোকন, মাসুদ জমাদ্দার রানা, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক গাজী নাসির, যুগ্ম সদস্যসচিব সফিউল বাসার, কেফায়েত হোসেন তানভীর, মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব ফিরোজ কবির, যুবপার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, সদস্যসচিব মাহমুদ আজাদ, মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব শাহিনুর আক্তার শীলা, যুবপার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব সুলতানা রাজিয়া, সহকারী অর্থ সম্পাদক সুমাইয়া শারমিন ফারহানা, মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, আমিরুল ইসলাম নুর, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সেলিম খান, হাসান মাহমুদ শাহীন, আমেনা বেগম, মশিউর রহমান মিলু, রিপন মাহমুদ, যুবনেতা উদয় তাসমির, পল্টন থানা আহবায়ক আব্দুল কাদের মুন্সি, যাত্রাবাড়ী থানা সমন্বয়ক সিএম আরিফ সহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button