sliderস্থানীয়

উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে সঠিক ভাবে কাজ করতে হবে

রংপুর ব্যুরোঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলি আখতার হোসেন বলেছেন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে অবকাঠামোগত দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রভাতী প্রকল্প ও এলজিইডির উদ্যোগে বাজার উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকারের অধীনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে মনোযোগ সহকারে কাজ করতে হবে। ঠিকাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন, কাজের গুণগত মান সঠিকভাবে রেখে কাজ করতে হবে। তাহলেই আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশে অর্জন সম্ভব হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে কামরুল ইসলাম সিদ্দিক মিলনায়তন, এলজিইডি, রংপুর হলরুমে কর্মশালা ও অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলি আখতার হোসেন।

পরে এলজিইডি রংপুরের সম্প্রসারিত অফিস ভবন (উর্ধমুখী সম্প্রসারণ) উদ্বোধন করেন তিনি।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা ইউনিট এলজিডি সদর দপ্তর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী গোপাল কৃষ্ণ দেবনাথ,অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: লুৎফর রহমান,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রংপুর অঞ্চল আবু জাফর মো: তৌফিক হাসান,দিনাজপুর অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবিএম রেজাউল বারী,এলজিইডি রংপুর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি রংপুর বিভাগের সকল অঞ্চল ও জেলার নির্বাহী প্রকৌশলীসহ উপজেলা প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে কুড়িগ্রামে রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের চওড়াহাট বাজারে এলজিইডি প্রভাতী প্রকল্পের ২৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

এলসিএস গ্রুপ মহিলাদের অংশগ্রহণে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। কুড়িগ্রামের প্রভাতী প্রকল্পের মাধ্যমে ৯ উপজেলায় ২ হাজার ৭০৯ বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। উন্নত হয়েছে শ্রমজীবীদের জীবনমান। জেলার প্রতিটি উপজেলায় মোট ৫৪ টি প্যাকেজে ২৯ সড়কের সোল্ডার ও স্লোব পূর্ণনির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রভাতী প্রকল্পের মাধ্যমে হাট-বাজার উন্নয়নে ৪৪৩ জন, রক্ষণাবেক্ষণে ১৮ জন এলসিএস সদস্য আরইআরএমপি -৩ প্রকল্পের মাধ্যমে ৭২০ ও জিওবির মাধ্যমে ২৪৩ জন পুরুষ এলসিএস সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।

এলজিইডি কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান জানান, কর্মহীন মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য জরুরী কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকার গৃহীত কর্মসূচির অংশ প্রভাতী প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচার এন্ড ডেভলপমেন্ট (ইফাদ) সহায়তাপুষ্ট প্রভাতী প্রকল্পের মাধ্যমে ১০৫ দশমিক ৪৯ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন করা হয়েছে। এলসিএস সদস্যদের আয় বৃদ্ধির কাজসহ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button